ভাষা নির্বাচন / Select Language
  • 🇧🇩
    বাংলা মূল ভাষা (Original)
  • 🇺🇸
    English English
প্রকাশিত: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৬ পিএম • অনলাইন সংস্করণ

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি নস্যাৎ করার সুযোগ ইসরায়েলকে দেওয়া যাবে না: এরদোয়ান

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি নস্যাৎ করার সুযোগ ইসরায়েলকে দেওয়া যাবে না: এরদোয়ান

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া সমঝোতা কোনোভাবেই নস্যাৎ করতে না পারে বলে মন্তব্য করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। তিনি অভিযোগ করেন, ইসরায়েল এই সমঝোতাকে নস্যাৎ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য তা বড় ধরনের হুমকি।

শনিবার (৪ জুলাই) ইস্তাম্বুলে সফররত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এরদোয়ান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া সমঝোতাকে ‘ডিনামাইট’ মেরে উড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ ইসরায়েলকে দেওয়া যাবে না। তাঁর ভাষায়, আঞ্চলিক দেশগুলোর মতামত ও অংশগ্রহণ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের জন্য কোনো সমাধানই দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না।

তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, বর্তমান ইসরায়েলি সরকার ধারাবাহিকভাবে এমন পদক্ষেপ নিচ্ছে, যা অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলছে। তিনি সরকারটিকে ‘যুদ্ধ-আসক্ত’ আখ্যা দিয়ে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যকে আবারও রক্তপাত ও সংঘাতের দিকে ঠেলে দেওয়ার সুযোগ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দেওয়া উচিত নয়।

এরদোয়ান আরও বলেন, ইসরায়েল অতীতেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক উদ্যোগ ব্যাহত করার চেষ্টা করেছে। একই সঙ্গে তিনি গাজা, লেবানন ও সিরিয়ায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযানেরও তীব্র সমালোচনা করেন।

সম্প্রতি কাতারে পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। ওই আলোচনার ভিত্তিতে একটি সমঝোতা স্মারক তৈরি হয়েছে বলে জানা যায়। এতে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি, হরমুজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্ত করা, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে সমঝোতার কাঠামো এবং দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত নিরসনের রূপরেখা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এদিকে ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদী জানিয়েছেন, সমঝোতার শর্ত লঙ্ঘনের যেকোনো অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে একটি বিশেষ যোগাযোগ ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে চুক্তির বিভিন্ন ধারা ও ব্যাখ্যা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে এখনও মতপার্থক্য রয়ে গেছে। গত সপ্তাহেও এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি সামরিক হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা সমঝোতার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।