ভাষা নির্বাচন / Select Language
  • 🇧🇩
    বাংলা মূল ভাষা (Original)
  • 🇺🇸
    English English
এখন সময় ডেস্ক • প্রকাশিত: ২৫ নভেম্বার ২০২৫, ০৮:২২ এ এম • অনলাইন সংস্করণ

থাই ও যুক্তরাজ্যের ভিসা–প্রতারণা নিয়ে কঠোর সতর্কবার্তা

থাই ও যুক্তরাজ্যের ভিসা–প্রতারণা নিয়ে কঠোর সতর্কবার্তা

বাংলাদেশে কিছু এজেন্সি মাত্র দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে থাই ই-ভিসা সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে—যা বাস্তবে সম্পূর্ণ অসম্ভব বলে স্পষ্ট জানিয়েছে ঢাকাস্থ রয়েল থাই দূতাবাস। সোমবার দূতাবাসের প্রকাশিত এক বার্তায় জানানো হয়, কয়েকটি ভ্রমণসংস্থা বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন দিয়ে সাধারণ আবেদনকারীদের ভুল ধারণা তৈরি করছে।

দূতাবাস বলেছে, কোনো এজেন্সির অধিকার বা সক্ষমতা নেই থাই ই-ভিসার অনুমোদন নিশ্চিত করার। নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি আবেদন কঠোর যাচাই–বাছাইয়ের মধ্য দিয়ে প্রক্রিয়াজাত হয়, যা নির্দিষ্ট সময়ের আগে সম্পন্ন হওয়ার কোনো নিশ্চয়তা নেই। তাই ভুয়া প্রতিশ্রুতিতে ভুল পথে পরিচালিত না হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ভিসা প্রতারণা শুধু থাইল্যান্ড পর্যন্ত সীমাবদ্ধ নয়। ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশনও সতর্ক করে জানিয়েছে—যুক্তরাজ্যের ভিসা আবেদনে জাল বা ভুয়া কাগজপত্র জমা দিলে আবেদনকারীকে সরাসরি ১০ বছরের নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হতে পারে। গত মঙ্গলবার প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে হাইকমিশন জানায়, বৈধ নথি ছাড়া ভিসা পাওয়ার চেষ্টা কেবল ব্যর্থই নয়, দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকিও তৈরি করে।

এছাড়া যুক্তরাজ্যের কোনো ভিসা বা ইলেকট্রনিক ট্রাভেল অথরাইজেশন (ইটিএ) একেবারেই গ্যারান্টিযুক্ত নয় বলে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে হাইকমিশনের আরেক সতর্কবার্তায়। ফোন, ই-মেইল বা বার্তার মাধ্যমে যারা ‘নিশ্চিত ভিসা’ দেওয়ার কথা বলে যোগাযোগ করছে, তাদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। হাইকমিশনের ভাষ্য—এ ধরনের দাবি নিঃসন্দেহে প্রতারণা।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভিসা জালিয়াতি, ভুয়া ভ্রমণ–সহায়তা সংস্থা এবং দ্রুত ভিসা অনুমোদনের নামে প্রতারণা বেড়েছে। ফলে বিদেশি দূতাবাসগুলো আবেদনকারীদের সচেতন করতে নিয়মিত সতর্কতা জারি করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিসা প্রক্রিয়ায় গোপন পথ বা শর্টকাটের প্রতি মানুষের ঝোঁকই প্রতারকদের সুযোগ তৈরি করে দেয়। তাই সরকারি ওয়েবসাইট ছাড়া অন্য কোনো উৎস থেকে তথ্য নেওয়াকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এজন্য ব্রিটিশ হাইকমিশন পরামর্শ দিয়েছে—ভিসা সংক্রান্ত নির্দেশনা ও যাচাইয়ের ক্ষেত্রে সরকারি ওয়েবসাইট ছাড়া অন্য কোনো প্ল্যাটফর্মে ভরসা না করতে। কারণ আবেদন যাচাই ও সিদ্ধান্ত পুরোপুরি যুক্তরাজ্যের সরকারি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়; কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এতে প্রভাব বিস্তার করতে পারে না।