ভাষা নির্বাচন / Select Language
  • 🇧🇩
    বাংলা মূল ভাষা (Original)
  • 🇺🇸
    English English
ঢাকা অফিস • প্রকাশিত: ০২ আগষ্ট ২০২৬, ১২:০৫ এ এম • অনলাইন সংস্করণ

গাজা থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহারের আহ্বান যুক্তরাজ্যের

গাজা থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহারের আহ্বান যুক্তরাজ্যের

যুক্তরাজ্য গাজায় হামাস ও অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর নিরস্ত্রীকরণ-সংক্রান্ত সাম্প্রতিক চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে। একই সঙ্গে গাজা উপত্যকা থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার, যুদ্ধবিরতি সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন এবং মানবিক সহায়তা নির্বিঘ্নে পৌঁছানোর ওপর জোর দিয়েছে লন্ডন।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) এক বিবৃতিতে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো ২০ দফা পরিকল্পনার প্রতিটি ধাপ কার্যকর করা। এর অংশ হিসেবে গাজা থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের যুদ্ধবিরতি কঠোরভাবে মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, দীর্ঘ সংঘাতের কারণে গাজার মানবিক পরিস্থিতি এখনও অত্যন্ত সংকটাপন্ন। তাই ইসরাইলকে ত্রাণ সহায়তার ওপর আরোপিত সব অগ্রহণযোগ্য বিধিনিষেধ দ্রুত প্রত্যাহার করতে হবে, যাতে খাদ্য, ওষুধ ও অন্যান্য জরুরি সহায়তা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে বিলম্ব ছাড়াই পৌঁছানো সম্ভব হয়।

ডেভিড ল্যামি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের লক্ষ্য হওয়া উচিত এমন একটি স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ও ইসরাইল নিরাপত্তা ও পারস্পরিক স্বীকৃতির ভিত্তিতে পাশাপাশি সহাবস্থান করতে পারে।

চুক্তির অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখায় যুক্তরাষ্ট্র, কাতার, তুরস্ক ও মিসরের কূটনৈতিক প্রচেষ্টারও প্রশংসা করেন তিনি।

এর আগে একই দিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, গাজায় হামাস ও অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে একটি সমঝোতা হয়েছে। তিনি জানান, চুক্তি বাস্তবায়নের বিভিন্ন ধাপের সঙ্গে সমন্বয় করে গাজা থেকে ইসরাইলি সেনা পর্যায়ক্রমে প্রত্যাহার করা হবে।

ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, চুক্তি বাস্তবায়নে মিসর, কাতার ও তুরস্ক গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে। তিনি আরও জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী ভবিষ্যতে একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী এবং নতুন ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনী গাজার নিরাপত্তার দায়িত্ব গ্রহণ করবে।