ভাষা নির্বাচন / Select Language
  • 🇧🇩
    বাংলা মূল ভাষা (Original)
  • 🇺🇸
    English English
এখন সময় ডেস্ক : • প্রকাশিত: ১৪ অক্টোবার ২০২৫, ১২:৩৭ পিএম • অনলাইন সংস্করণ

গাজায় যুদ্ধ বিরতি : শান্তি চুক্তিতে স্বাক্ষর করলেন ট্রাম্পসহ বিশ্ব নেতারা

গাজায় যুদ্ধ বিরতি : শান্তি চুক্তিতে স্বাক্ষর করলেন ট্রাম্পসহ বিশ্ব নেতারা

এখন সময় ডেস্ক : মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের সংঘাতের অবসান ঘটাতে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার মিসরের উপকূলীয় শহর শারম আল-শেখে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতাদের উপস্থিতিতে তিনি হামাস-ইসরায়েল শান্তি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এই ঐতিহাসিক চুক্তিতে ট্রাম্প ছাড়াও মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান এবং কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানিসহ আরও কয়েকজন বিশিষ্ট বিশ্বনেতা স্বাক্ষর করেন। মোট প্রায় ৩৫ জন রাষ্ট্রনেতা এই সম্মেলনে অংশ নেন, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা গাজা সংঘাতের অবসান ঘটানো। চুক্তি স্বাক্ষরের পর ট্রাম্প বলেন, “আজ আমরা শুধু এক যুদ্ধের ইতি টানিনি, বরং মধ্যপ্রাচ্যের জন্য এক নতুন ইতিহাস রচনা করেছি। এটি শান্তির নতুন ভোর।” যদিও চুক্তির বিস্তারিত তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি, তবে ট্রাম্প সাংবাদিকদের আশ্বস্ত করেন যে এই চুক্তি “দীর্ঘস্থায়ী ও কার্যকর” হবে। তিনি অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর নেতাদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “যারা আজ এখানে উপস্থিত ছিলেন, তাদের প্রত্যেকের অবদান এই চুক্তিকে বাস্তব রূপ দিয়েছে।” ট্রাম্প বিশেষভাবে মিসর, পাকিস্তান, হাঙ্গেরি ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতাদের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করেন। গাজার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে ট্রাম্প জানান, “গাজার মানুষের এখন লক্ষ্য হওয়া উচিত স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা।” তিনি আরও বলেন, ধনী ও প্রভাবশালী কয়েকটি দেশ গাজার পুনর্গঠনে অর্থ সহায়তার অঙ্গীকার করেছে, যার মাধ্যমে ঘরবাড়ি, স্কুল, হাসপাতাল ও অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ করা হবে। তবে এই সহায়তার শর্ত হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, গাজাকে সম্পূর্ণ অস্ত্রমুক্ত করতে হবে এবং সেখানে একটি সৎ ও দক্ষ বেসামরিক পুলিশ বাহিনী গঠন করতে হবে। এছাড়া শান্তি রক্ষা ও বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ নামে একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠনের ঘোষণা দেন, যা গাজার অস্থায়ী প্রশাসন ও শান্তি বাস্তবায়নের অগ্রগতি তদারকি করবে। তার ভাষায়, “বিশ্বের বহু দেশ এই বোর্ডের অংশ হতে আগ্রহী, আমরা সবাই মিলে শান্তির রক্ষক হিসেবে কাজ করব।” জিম্মি মুক্তি প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, “ভালোবাসা ও বেদনার এমন দৃশ্য আমি আগে দেখিনি। এটি ছিল এক অবিশ্বাস্য অভিজ্ঞতা, যা এই শান্তি প্রক্রিয়ার মানবিক দিককে আরও গভীরভাবে তুলে ধরে।” তথ্যসূত্র: আল জাজিরা, সিএনএন