প্রকাশিত: ০৩ অক্টোবার ২০২৬ , ০৯:২৪ এ এম
অনলাইন সংস্করণ
উচ্চ রক্তচাপ দীর্ঘদিন নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকলে স্ট্রোক, কিডনি ক্ষতি, দৃষ্টিশক্তির সমস্যা এবং হৃদ্রোগসহ বিভিন্ন জটিলতার ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ওষুধের পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত শরীরচর্চাও গুরুত্বপূর্ণ।
ভারতীয় চিকিৎসক ডা. অলোক চোপড়ার পরামর্শ অনুযায়ী, রক্তচাপের ওপর শুধু খাবারে লবণের পরিমাণ নয়, ঘুম, শারীরিক পরিশ্রম ও ব্যায়ামের মতো জীবনযাপনের বিভিন্ন বিষয়ও প্রভাব ফেলে।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে প্রথমেই খাবারে সোডিয়ামের পরিমাণ কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। প্যাকেটজাত ও অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবারের বদলে তাজা খাবার বেছে নেওয়া যেতে পারে। চিপস, অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাবার এবং প্রক্রিয়াজাত মাংস যতটা সম্ভব কম খাওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।
খাদ্যতালিকায় পুষ্টিকর খাবারের বৈচিত্র্য রাখা উচিত। এ ক্ষেত্রে আলু ও মিষ্টি আলু, বিভিন্ন ধরনের ফল ও সবজি, ডাল ও শিমজাতীয় খাবার এবং হোল গ্রেইন উপকারী হতে পারে।
এ ছাড়া ম্যাগনেশিয়াম পেশি, স্নায়ু ও হৃদ্যন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই বাদাম, বিভিন্ন ধরনের বীজ, পালং শাক ও পূর্ণ শস্যের মতো ম্যাগনেশিয়ামসমৃদ্ধ খাবার খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে।
শুধু খাবারের পরিবর্তনই নয়, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রমও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, সপ্তাহে প্রায় ১৫০ মিনিট মাঝারি মাত্রার ব্যায়াম করা যেতে পারে। সহজভাবে সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটার অভ্যাসও গড়ে তোলা সম্ভব।
তবে উচ্চ রক্তচাপ থাকলে শুধু খাদ্যাভ্যাস বা ব্যায়ামের ওপর নির্ভর না করে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ সেবন করা জরুরি।