ভাষা নির্বাচন / Select Language
  • 🇧🇩
    বাংলা মূল ভাষা (Original)
  • 🇺🇸
    English English
এখন সময় ডেস্ক • প্রকাশিত: ০১ আগষ্ট ২০২৬, ০৮:৪৯ পিএম • অনলাইন সংস্করণ

ইরানে ভয়াবহ হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল

ইরানে ভয়াবহ হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল

ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো, বিশেষ করে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও তেল শোধনাগারকে লক্ষ্য করে চলতি সপ্তাহান্তেই বড় ধরনের বিমান হামলার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চলছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত অনুমোদন দেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অর্থবাজার সোমবার (৩ আগস্ট) চালু হওয়ার আগেই সম্ভাব্য সামরিক অভিযান শেষ করার বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে আলোচনায় রয়েছে।

ক্যাম্প ডেভিডে অনুষ্ঠিত এক মন্ত্রিসভা বৈঠকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র খুবই কঠোর পদক্ষেপ নেবে। তাঁর ভাষায়, এমন পর্যায়ে আঘাত হানা হবে যাতে ইরান আর তা সহ্য করতে না পারে।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লিভিট বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থান স্পষ্ট। কোনো পরিস্থিতিতেই ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়া হবে না। এদিকে পেন্টাগনের মুখপাত্র শিন পারনেল জানান, মার্কিন বাহিনী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। তবে প্রেসিডেন্টের চূড়ান্ত নির্দেশনার আগে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু নিয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চাননি।

এদিকে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, ক্যাম্প ডেভিডে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে কূটনৈতিক অগ্রগতির সুযোগ তৈরি হলে ট্রাম্প অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার সিদ্ধান্তও নিতে পারেন। অন্যদিকে সিবিএস নিউজকে এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা বলেছেন, পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান পুনরায় শুরুর বিষয়ে তাদের কাছে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা পৌঁছেনি।

এসব খবরে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ইরানের আধা-সরকারি তাসনিম নিউজ এজেন্সিকে দেশটির এক জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেন, সম্ভাব্য মার্কিন বা ইসরায়েলি হামলার জবাবে ইরান আগেই একটি বিস্তৃত সামরিক পরিকল্পনা প্রস্তুত করেছে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরানের ওপর হামলা হলে শুধু ইসরায়েল নয়, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো ও কৌশলগত স্থাপনাগুলোকেও লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালানো হতে পারে।

এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা আরও জোরালো হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য অভিযানের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।