-
🇧🇩
বাংলা মূল ভাষা (Original)
-
🇺🇸
English English
দীর্ঘ ১৭ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে দেশের মাটিতে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমানকে নিয়ে বাংলাদেশ বিমানের একটি নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইটে তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। সব ঠিক থাকলে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা নাগাদ তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন।
তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে রাজধানীসহ সারা দেশে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে এক অভূতপূর্ব জাগরণ ও উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে। তাকে রাজকীয় সংবর্ধনা দিতে রাজধানীর পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় বিশাল এক মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছে। বিমানবন্দর থেকে সরাসরি তিনি এই সংবর্ধনাস্থলে যাবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। প্রিয় নেতাকে একনজর দেখতে বুধবার রাত থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা লাখো মানুষের ঢল নেমেছে ৩০০ ফিট হাইওয়ে এলাকায়।
সংবর্ধনা এলাকা ও এর আশপাশে নেতাকর্মীদের ভিড় এতটাই যে কুড়িল থেকে মঞ্চ পর্যন্ত তিল ধারণের জায়গা নেই। স্লোগান, প্লাকার্ড আর দেশাত্মবোধক গানে মুখর হয়ে আছে পুরো পূর্বাচল। নেতাকর্মীদের খাবারের জোগান দিতে পথে পথে অসংখ্য হকার ও ভ্রাম্যমাণ দোকানের ব্যবস্থা দেখা গেছে। নিরাপত্তার খাতিরে পুরো এলাকা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে, পাশাপাশি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দলের নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক কর্মীরাও নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, এই ঐতিহাসিক সংবর্ধনায় প্রায় ৫০ লাখ মানুষের সমাগম হবে। তিনি এই দিনটিকে একটি ‘মহামিলন মেলা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। নেতাকর্মীদের মতে, তারেক রহমানের এই ফিরে আসা দলের জন্য এক নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি করবে এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক প্রতীক্ষার অবসান ঘটাবে। দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর দেশের মাটিতে তার প্রথম ভাষণ শুনতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে লাখ লাখ মানুষ।