-
🇧🇩
বাংলা মূল ভাষা (Original)
-
🇺🇸
English English
রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র এবং ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদি দুর্বৃত্তদের গুলিতে গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টারে (ওসেক ইউনিট) ডাক্তারদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।
আল-জাজিরার সাংবাদিকের চাঞ্চল্যকর তথ্য
হাদির গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা প্রসঙ্গে আল-জাজিরার সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি চাঞ্চল্যকর স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, একটি পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা গত কয়েক মাসে অন্তত ৮০ জন ‘সুব্রত বাইন’-এর মতো আততায়ীকে দেশের বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে অনুপ্রবেশ করিয়েছে।
তাঁর দাবি, এই আততায়ীরা আন্ডারওয়ার্ল্ড, কুষ্টিয়া ও মেহেরপুর অঞ্চলের চরমপন্থী গ্রুপগুলোর সঙ্গে হাত মিলিয়ে নির্বাচনকে সামনে রেখে সহিংসতা ও হত্যার ছক কষেছে। এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হলো বিভিন্ন প্রার্থী, কেন্দ্রীয় নেতা এবং এলাকার জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বদের টার্গেট করা।
কারাগার থেকে কনফারেন্সে ষড়যন্ত্রের আলোচনা
সাংবাদিক সায়েরের তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, যিনি সুব্রত বায়েনের হ্যান্ডলার হিসেবে পরিচিত, জামিনে থাকা পিচ্চি হেলাল এবং চরমপন্থী গ্রুপ গণমুক্তি ফৌজের প্রধান মুকুল সম্প্রতি টেলিফোন কনফারেন্সের মাধ্যমে এসব বিষয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেছে।
তিনি আরও জানান, সুব্রত বায়েন কারাগার থেকে তার মেয়ের মোবাইল ফোন ব্যবহার করে এই কনফারেন্সের ব্যবস্থা করে। পরে সুব্রত বায়েনের মেয়ে সিনথিয়া বিতু নেপালে পলাতক বিডিআর মামলার আসামি লেদার লিটন, পিচ্চি হেলাল, মুকুল, বাড্ডার বড় সাঈদ ও দিপুর সঙ্গেও কথা বলিয়ে দেয়।
নির্বাচন বানচালের চেষ্টা
প্রবাসী এই সাংবাদিক হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নির্বাচন বানচাল এবং দেশকে চরম অস্থিতিশীল করতে একটি বিশেষ গোষ্ঠী সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাবে। তিনি মন্তব্য করেন, এই অপশক্তির মোকাবিলা করার একমাত্র উপায় হলো একতাবদ্ধ থাকা।