ভাষা নির্বাচন / Select Language
  • 🇧🇩
    বাংলা মূল ভাষা (Original)
  • 🇺🇸
    English English
ঢাকা অফিস • প্রকাশিত: ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৪৩ পিএম • অনলাইন সংস্করণ

ভোরে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল

ভোরে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল

ভোররাতের শান্ত ঘুমে হঠাৎ আতঙ্ক। ৪.১ মাত্রার মৃদু ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টা ৩৬ মিনিট ৪৬ সেকেন্ডে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলোও এই কম্পনের তথ্য নিশ্চিত করেছে।

উৎস ও গভীরতা

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল রাজধানী ঢাকা থেকে ১৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া এলাকায়। ভূ-পৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল প্রায় ১৫০ কিলোমিটার। গভীরতা বেশি হওয়ায় কম্পনের তীব্রতা ভূপৃষ্ঠে খুব জোরালোভাবে অনুভূত হয়নি।

ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্প বিজ্ঞান কেন্দ্র (EMSC) এবং ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (NCS) তাদের ডাটাতেও একই গভীরতা ও উৎপত্তিস্থলের কথা উল্লেখ করেছে।

ক্ষয়ক্ষতি ও জনমনে প্রভাব

কম্পনটি মৃদু প্রকৃতির হওয়ায় এখন পর্যন্ত দেশের কোথাও কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে সাতক্ষীরা, যশোর ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর অনেক মানুষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানিয়েছেন, ভোরের দিকে হঠাৎ খাট বা আসবাবপত্র কেঁপে ওঠায় তাদের মধ্যে সাময়িক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই ঘর ছেড়ে খোলা জায়গায় বেরিয়ে আসেন।

বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ

গত কয়েক মাস ধরেই বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছোট ও মাঝারি মাত্রার কম্পন অনুভূত হচ্ছে। যদিও আজকের ভূমিকম্পটি বড় কোনো বিপদ ডেকে আনেনি, তবুও ঘনঘন এমন মৃদু কম্পন ভূতাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞদের ভাবিয়ে তুলছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূ-অভ্যন্তরে ছোট ছোট চ্যুতি বা ‘ফল্ট লাইন’ সক্রিয় হওয়ার ইঙ্গিত হতে পারে এই কম্পনগুলো। বড় ধরনের ভূমিকম্পের ঝুঁকি মোকাবিলায় ভবন নির্মাণ বিধিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ এবং জনসচেতনতা বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন তারা।