ভাষা নির্বাচন / Select Language
  • 🇧🇩
    বাংলা মূল ভাষা (Original)
  • 🇺🇸
    English English
ঢাকা অফিস • প্রকাশিত: ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫২ পিএম • অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশ এখন ভ্রমণের জন্য নিরাপদ: ট্রাম্পের বিশেষ দূত

বাংলাদেশ এখন ভ্রমণের জন্য নিরাপদ: ট্রাম্পের বিশেষ দূত

বাংলাদেশে রাজনৈতিক ও সামগ্রিক পরিস্থিতির স্থিতিশীলতার প্রেক্ষাপটে দেশটিকে ভ্রমণের জন্য তুলনামূলকভাবে নিরাপদ হিসেবে মূল্যায়ন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প প্রশাসনের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গরের সাম্প্রতিক ঢাকা সফরের পর দুই দেশের সম্পর্ক এবং বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে ইতিবাচক বার্তা উঠে এসেছে।

বাংলাদেশ সফর শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সার্জিও গর জানান, যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দেশটির জন্য জারি করা ট্রাভেল অ্যাডভাইজরির স্তর লেভেল-৩ থেকে লেভেল-২-এ নামিয়ে এনেছে। এর অর্থ, বাংলাদেশে ভ্রমণের ক্ষেত্রে আগের তুলনায় কম সতর্কতা অবলম্বনের প্রয়োজন রয়েছে। যদিও নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় অতিরিক্ত সতর্কতা বজায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, স্থিতিশীল পরিস্থিতি বিবেচনায় যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে ভ্রমণের জন্য নিরাপদ বলে মনে করছে। এই সিদ্ধান্তকে তিনি দুই দেশের সম্পর্কের জন্য একটি ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেন।

এটি ছিল বাংলাদেশে সার্জিও গরের প্রথম সরকারি সফর। সফরকালে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণ এবং পারস্পরিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠক শেষে সার্জিও গর জানান, দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে এবং ভবিষ্যতে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে উভয় পক্ষ একসঙ্গে কাজ করবে।

উল্লেখ্য, সার্জিও গর বর্তমানে ভারতে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁকে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূতের দায়িত্ব দিয়েছেন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে নয়াদিল্লিতে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তাঁর প্রথম বাংলাদেশ সফর।

যুক্তরাষ্ট্রের এই মূল্যায়ন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতি আস্থা বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষ করে পর্যটন, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।