ভাষা নির্বাচন / Select Language
  • 🇧🇩
    বাংলা মূল ভাষা (Original)
  • 🇺🇸
    English English
ঢাকা অফিস • প্রকাশিত: ০২ আগষ্ট ২০২৬, ০৮:৩৭ পিএম • অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশে ত্রিবেদী-সার্জিও গরের বৈঠক নিয়ে প্রশ্ন তুলল জামায়াত

বাংলাদেশে ত্রিবেদী-সার্জিও গরের বৈঠক নিয়ে প্রশ্ন তুলল জামায়াত

বাংলাদেশে বিদেশি কূটনৈতিক তৎপরতা ও নির্বাচনকে ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সাম্প্রতিক বক্তব্য। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর এবং বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদির বৈঠক যদি কেবল সৌজন্য সাক্ষাৎ না হয়ে থাকে, তবে বাংলাদেশ-সংক্রান্ত যেকোনো আলোচনা সরকারের সঙ্গেই হওয়া উচিত।

শনিবার (২ আগস্ট) সিলেটে স্থানীয় দৈনিক জালালাবাদ-এর ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। তার মতে, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিদেশি কূটনীতিকদের বাংলাদেশ-সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হলে তা স্বচ্ছ ও প্রাতিষ্ঠানিক কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মধ্যেই হওয়া উচিত।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠক যদি নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়, তাহলে সেটি ভিন্ন বিষয়। তবে দুই দেশের সম্পর্ক বা বাংলাদেশ-সম্পর্কিত কোনো নীতিগত আলোচনা হয়ে থাকলে সেটি বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে হওয়াই যথাযথ। তিনি আরও বলেন, প্রয়োজন হলে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গেও এমন আলোচনা হতে পারে।

একই অনুষ্ঠানে তিনি দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তার অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনে সাম্প্রতিক কিছু নিয়োগ নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে। কয়েক বছর আগে অবসর নেওয়া একজন দলীয় ব্যক্তিকে কমিশনে দায়িত্ব দেওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এতে জনগণের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

জামায়াত আমির দাবি করেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ঘিরে যে অভিজ্ঞতা তৈরি হয়েছে, তা নতুন করে শঙ্কা সৃষ্টি করেছে। একই ধরনের পরিস্থিতি আবার দেখা দিলে সরকারের অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের সদিচ্ছা নিয়ে জনমনে আরও প্রশ্ন তৈরি হতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনার পাশাপাশি তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি দুর্নীতি, চাঁদাবাজি এবং দলীয় অনিয়ম নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। তার ভাষ্য, ক্ষমতাসীন দলের পাশাপাশি পুরো রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বও প্রধানমন্ত্রীর ওপর বর্তায়।

এ ছাড়া বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, দলটি আগে গণভোটের পক্ষে অবস্থান নিলেও পরে সেই অবস্থান পরিবর্তন করেছে, যা রাজনৈতিকভাবে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।