ভাষা নির্বাচন / Select Language
  • 🇧🇩
    বাংলা মূল ভাষা (Original)
  • 🇺🇸
    English English
ঢাকা অফিস • প্রকাশিত: ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩০ পিএম • অনলাইন সংস্করণ

তুরস্কের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশ, সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান

তুরস্কের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশ, সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান তুরস্কে পাঁচ দিনের সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন। সফরটি বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, সামরিক প্রযুক্তি বিনিময় এবং প্রতিরক্ষা শিল্পে অংশীদারত্ব সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, শনিবার দেশে ফেরেন সেনাপ্রধান। তুরস্কে পৌঁছে তিনি দেশটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম রাষ্ট্রপতি মুস্তাফা কামাল আতাতুর্কের সমাধিসৌধ আনিতকাবিরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

সফরকালে তিনি তুরস্কের জাতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াসার গুলার, চিফ অব দ্য তুর্কিশ জেনারেল স্টাফ জেনারেল সেলচুক বায়রাকতারোগলু, তুর্কি স্থলবাহিনীর কমান্ডার জেনারেল মেতিন তোকেল এবং ইস্তাম্বুল নেভাল শিপইয়ার্ডের পরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল রিসেপ এরদিনক ইয়েতকিনের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন। এছাড়া তুরস্কের ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রি এজেন্সির প্রতিনিধিদের সঙ্গেও তাঁর আলোচনা হয়।

তুর্কি স্থলবাহিনীর সদর দপ্তর পরিদর্শনের সময় সেনাপ্রধানকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। বৈঠকগুলোতে দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি সামরিক প্রশিক্ষণ, প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় হয়।

উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে পেশাগত সম্পর্ক উন্নয়ন, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছে আইএসপিআর।

সফরের অংশ হিসেবে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান তুরস্কের শীর্ষস্থানীয় প্রতিরক্ষা ও সামরিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শন করেন। এসব প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ব্যবস্থা, গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম, আধুনিক সামরিক প্রযুক্তি এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদন সক্ষমতা সম্পর্কে তিনি অবহিত হন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো নিয়েও আলোচনা করেন।

আইএসপিআরের ভাষ্য অনুযায়ী, সেনাপ্রধানের এই সফর বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতাকে নতুন মাত্রা দেওয়ার পাশাপাশি সামরিক প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা উন্নয়নে ভবিষ্যৎ অংশীদারত্বকে আরও এগিয়ে নিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।