এখন সময় ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৯ অক্টোবার ২০২৬ , ০৬:২২ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

জালিয়াতির অভিযোগে মাইক্রোসফট-অ্যাডোবির গ্রিন কার্ড কার্যক্রম স্থগিত

জালিয়াতির অভিযোগে মাইক্রোসফট-অ্যাডোবির গ্রিন কার্ড কার্যক্রম স্থগিত

কর্মসংস্থানভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের অনুমতি বা গ্রিন কার্ড কর্মসূচিতে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগে মাইক্রোসফট, অ্যাডোবি এবং কয়েকটি বড় তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের আবেদনপ্রক্রিয়া স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) এ পদক্ষেপের কথা জানানো হয়।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন প্রশাসনের অভিযোগ, কিছু প্রতিষ্ঠান বিদেশি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে ভিসাব্যবস্থার অপব্যবহার করেছে। এ বিষয়ে তদন্তের পাশাপাশি কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধেও অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। 

বিদেশি কর্মী নিয়োগ নিয়ে কঠোর অবস্থান

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের বক্তব্য অনুযায়ী, এই উদ্যোগের লক্ষ্য কর্মসংস্থানভিত্তিক ভিসাব্যবস্থায় অনিয়ম ঠেকানো এবং মার্কিন কর্মীদের স্বার্থ রক্ষা করা। প্রশাসনের দাবি, কিছু প্রতিষ্ঠান তুলনামূলক কম ব্যয়ে বিদেশি কর্মী নিয়োগের মাধ্যমে স্থানীয় কর্মীদের সুযোগ সীমিত করছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাইক্রোসফটের বিরুদ্ধে কর্মী ছাঁটাইয়ের পাশাপাশি বিদেশি কর্মীদের জন্য বিপুলসংখ্যক ভিসা ও গ্রিন কার্ডের আবেদন করার অভিযোগ তোলা হয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, তাদের অধিকাংশ ভিসা আবেদন নতুন কর্মী নিয়োগের জন্য নয়, বরং আগে থেকেই কর্মরত কর্মীদের জন্য করা হয়েছিল। ফলে অভিযোগের বিষয়ে প্রশাসনের বক্তব্য ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাখ্যার মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। 

বিশ্ববিদ্যালয়েও তদন্ত

এদিকে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান-সংশ্লিষ্ট কর্মসূচি এবং জে-১ ভিসার ব্যবহার নিয়ে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও বিদেশি কর্মীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কর্মসংস্থানের সুযোগের ওপর এসব পদক্ষেপের প্রভাব পড়তে পারে।

তবে গ্রিন কার্ড আবেদন স্থগিতের কারণে সংশ্লিষ্ট সব কর্মীর আবেদন চূড়ান্তভাবে বাতিল হয়েছে—এমন তথ্য প্রতিবেদনে বলা হয়নি। তদন্তের ফল এবং প্রশাসনের পরবর্তী সিদ্ধান্তের ওপর পরিস্থিতি নির্ভর করবে।

প্রযুক্তি খাতে বিদেশি দক্ষ কর্মী নিয়োগ, মার্কিন নাগরিকদের কর্মসংস্থান এবং অভিবাসন নীতি—এই তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।