ঢাকা অফিস

প্রকাশিত: ১৬ জুলাই ২০২৬ , ০৮:৫৩ এ এম

অনলাইন সংস্করণ

উগ্রবাদকে কোনো ছাড় নয়, দুর্নীতি দমনে কঠোর অবস্থানে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

‎বাংলাদেশে উগ্রবাদ ও চরমপন্থার বিরুদ্ধে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতির ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে দুর্নীতি দমন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পেশাদারীকরণ এবং জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি।

বুধবার জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার কোনোভাবেই চরমপন্থা ও উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ বিষয়ে সরকারের অবস্থানের প্রতি বিরোধী দলও পূর্ণ সমর্থন ও সহযোগিতা করবে।

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাপনী অধিবেশনের শুরুতে প্রশ্নোত্তর পর্বে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন প্রধানমন্ত্রী। পরে সমাপনী বক্তব্যে তিনি দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

দুর্নীতি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, স্বৈরাচারী শাসনামলে প্রতিবছর প্রায় ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দেশ থেকে পাচার হয়েছে বলে সরকারের কাছে তথ্য রয়েছে। তিনি বলেন, দেশের নানা সমস্যার অন্যতম প্রধান কারণ দুর্নীতি এবং এটি নিয়ন্ত্রণে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

তার ভাষায়, “হাত বেঁধে হোক, টুঁটি চেপেই হোক, দুর্নীতিকে নিয়ন্ত্রণ করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর।”

জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও পেশাদার ও দক্ষ বাহিনীতে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

জাতীয় ঐক্যের প্রশ্নে তিনি বলেন, রাজনৈতিক মতভিন্নতা থাকতেই পারে, তবে তা কখনো শত্রুতায় রূপ নেওয়া উচিত নয়। প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধের রাজনীতির পরিবর্তে ন্যায়পরায়ণতা প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ যেন আর কখনো ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরাচারের কবলে না পড়ে, সে বিষয়ে সরকার ও বিরোধী দল উভয়েরই অভিন্ন দায়বদ্ধতা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি স্থিতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গড়ে তুলতে জাতীয় ঐক্য ধরে রাখা অপরিহার্য।