ভাষা নির্বাচন / Select Language
  • 🇧🇩
    বাংলা মূল ভাষা (Original)
  • 🇺🇸
    English English
ঢাকা অফিস • প্রকাশিত: ২১ ডিসেম্বার ২০২৫, ০৭:৩০ এ এম • অনলাইন সংস্করণ

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে শহীদ হাদির জানাজায় জনসমুদ্রের সংবাদ

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে শহীদ হাদির জানাজায় জনসমুদ্রের সংবাদ

বিপুল জনসমাগম আর লাখো মানুষের চোখের জলে বিদায় নিলেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম বিপ্লবী নেতা ও ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদি। শনিবার সকালে ময়নাতদন্ত শেষে তার মরদেহ জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নেওয়া হলে সেখানে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক নেতা এবং সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই জানাজা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জানাজা শেষে তাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে দাফন করা হয়।

বাংলাদেশের এই তরুণ নেতার প্রয়াণ এবং জানাজায় মানুষের উপচে পড়া ভিড় আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতেও বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলনের এই বীরের জানাজাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে পালিত রাষ্ট্রীয় শোকের খবর প্রকাশ করেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স তাদের প্রতিবেদনে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসসহ লাখো মানুষের অংশগ্রহণের বিষয়টি তুলে ধরেছে। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন এবং তুরস্কের টিআরটি ওয়ার্ল্ডও এই জানাজাকে ঘিরে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সাধারণ মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসার খবর প্রচার করেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনেও হাদির প্রতি বাংলাদেশের মানুষের আবেগের প্রতিফলন ঘটেছে। টাইমস অব ইন্ডিয়া প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের উদ্ধৃতি দিয়ে শিরোনাম করেছে যে তিনি কখনো হারিয়ে যাবেন না। অন্যদিকে এনডিটিভি লাখো মানুষের কণ্ঠের প্রতিধ্বনি তুলে ধরে লিখেছে যে হাদির রক্ত বৃথা যাবে না। গত ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পুরানা পল্টনে দুর্বৃত্তদের গুলিতে গুরুতর আহত হয়েছিলেন এই নেতা। দীর্ঘ এক সপ্তাহ ঢাকা ও সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে গত বৃহস্পতিবার রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার অকাল মৃত্যুতে দেশজুড়ে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।