ঢাকা অফিস

প্রকাশিত: ২৬ জুলাই ২০২৬ , ০৮:৩১ এ এম

অনলাইন সংস্করণ

মানবাধিকার কমিশন ও গুমবিরোধী আইনের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের অপেক্ষায়

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন এবং গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের খসড়া চূড়ান্ত করে মন্ত্রিসভা কমিটিতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদন পাওয়ার পর আইন দুটি দ্রুত জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

শনিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’ আয়োজিত মানবাধিকার লঙ্ঘন ও ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচারবিষয়ক এক পরামর্শ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। আগামী ৬০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের অধিবেশন বসার কথা থাকায় বিশেষ অধিবেশন আহ্বানের প্রয়োজন নেই।

আইনমন্ত্রী আরও জানান, ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে দায়ের করা মামলাগুলো পর্যালোচনা করে প্রত্যাহারের বিষয়ে সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পর্যায়ে রয়েছে। তবে ধর্ষণের মামলাগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করা হলেও সেগুলো কোনো অবস্থাতেই প্রত্যাহার করা হবে না।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের সময়ে বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনা প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে এবং গুমের ঘটনায় সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে।

দিনব্যাপী এই পরামর্শ সভায় সূচনা বক্তব্য দেন ‘অধিকার’-এর সভাপতি ড. তাসনিম সিদ্দিকী। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আমার দেশ সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান, গুম-সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।