প্রকাশিত: ০৯ জুলাই ২০২৬ , ০৯:১১ এ এম
অনলাইন সংস্করণ
২০২৬ বিশ্বকাপ এখন শেষ আটের লড়াইয়ে। একদিনের বিরতির পর বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচ। তবে গুরুত্বপূর্ণ এই পর্বে মাঠে নামার আগে বড় দুশ্চিন্তায় রয়েছে কয়েকটি দল। কারণ, কোয়ার্টার ফাইনালে অংশ নেওয়া আট দলের অন্তত ১৮ জন ফুটবলার একটি হলুদ কার্ড দূরত্বে দাঁড়িয়ে আছেন নিষেধাজ্ঞার মুখে।
বিশ্বকাপের বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, নকআউট পর্বে ভিন্ন দুই ম্যাচে দুটি হলুদ কার্ড দেখলে পরবর্তী ম্যাচে খেলতে পারবেন না সংশ্লিষ্ট ফুটবলার। ফলে শেষ ৩২ বা শেষ ষোলোর ম্যাচে যারা একটি করে হলুদ কার্ড পেয়েছেন, তারা কোয়ার্টার ফাইনালে আবারও সতর্কবার্তা পেলে দল সেমিফাইনালে উঠলেও সেই ম্যাচে মাঠে নামতে পারবেন না।
সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে ইংল্যান্ড ও মরক্কো। দুই দলেরই চারজন করে খেলোয়াড় ইতোমধ্যে একটি করে হলুদ কার্ড দেখেছেন। ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ডের তিনজন করে, আর আর্জেন্টিনা, স্পেন, বেলজিয়াম ও নরওয়ের একজন করে ফুটবলারও একই শঙ্কায় রয়েছেন।
৪৮ দলের বিশ্বকাপকে সামনে রেখে হলুদ কার্ডের নিয়মে পরিবর্তন আনে ফিফা। আগের ৩২ দলের বিশ্বকাপে দুটি হলুদ কার্ড পেলেই পরবর্তী ম্যাচে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হতো। কিন্তু নতুন ফরম্যাটে নকআউটে একটি অতিরিক্ত রাউন্ড যুক্ত হওয়ায় তারকা ফুটবলারদের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ মিস করার আশঙ্কা বেড়ে যায়। সেই কারণেই গ্রুপ পর্ব শেষে সব হলুদ কার্ড বাতিল (রিসেট) করা হয়েছে। এরপর নকআউট পর্বে নতুন করে কার্ডের হিসাব শুরু হয় এবং কোয়ার্টার ফাইনাল শেষে সেটিও আবার রিসেট করা হবে।
এর ফলে হলুদ কার্ডের কারণে কোনো ফুটবলার ফাইনাল থেকে নিষিদ্ধ হবেন না। তবে সেমিফাইনালে লাল কার্ড দেখলে তিনি ফাইনালে খেলতে পারবেন না। পাশাপাশি গুরুতর বা সহিংস আচরণের ঘটনায় ফিফার শৃঙ্খলা কমিটি প্রয়োজন মনে করলে অতিরিক্ত নিষেধাজ্ঞাও দিতে পারবে।
নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে থাকা ফুটবলারদের তালিকায় রয়েছেন:
ইংল্যান্ড: জুড বেলিংহ্যাম, নিকো ও’রাইলি, ডেক্লান রাইস, মার্ক গেয়ি।
মরক্কো: ইসা দিওপ, আশরাফ হাকিমি, রেদোয়ান হালহাল, বিলাল এল খানুস।
ফ্রান্স: মানু কোনে, মাইকেল ওলিসে, ব্রাডলি বারকোলা।
সুইজারল্যান্ড: গ্রানিত জাকা, ডেনিস জাকারিয়া, মিরো মুহাইম।
আর্জেন্টিনা: গঞ্জালো মন্টিয়েল।
স্পেন: ফেররান তোরেস।
বেলজিয়াম: ব্র্যান্ডন মেচেলে।
নরওয়ে: অ্যান্তোনিও নুসা।