ভাষা নির্বাচন / Select Language
  • 🇧🇩
    বাংলা মূল ভাষা (Original)
  • 🇺🇸
    English English
এখন সময় ডেস্ক • প্রকাশিত: ২৫ আগষ্ট ২০২৬, ০৯:০২ পিএম • অনলাইন সংস্করণ

ইরানের ওপর আরও কঠোর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

ইরানের ওপর আরও কঠোর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

প্রায় ৬০ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও জাহাজ নিষেধাজ্ঞার আওতায়; পাল্টা জবাবের হুমকি তেহরানের

ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটন ইরানের সামরিক কার্যক্রম, ক্রয় নেটওয়ার্ক এবং তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল বাণিজ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রায় ৬০ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও জাহাজকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় এনেছে। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন পদক্ষেপকে ইরানের অর্থনৈতিক সক্ষমতা দুর্বল করার বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মার্কিন প্রশাসন নিষেধাজ্ঞার নতুন এই উদ্যোগকে ইরানের অর্থনৈতিক ‘লাইফলাইন’ বন্ধ করার প্রচেষ্টা হিসেবে তুলে ধরেছে। ডিজিটাল সম্পদ, প্রযুক্তি, স্বর্ণ, বিমান চলাচল ও জাহাজ চলাচলসহ বিভিন্ন খাতকে লক্ষ্য করা হয়েছে।

পাল্টা জবাবের হুমকি

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার প্রতিক্রিয়ায় ইরান কঠোর অবস্থান নিয়েছে। তেহরান জানিয়েছে, অর্থনৈতিক চাপের জবাব দেওয়া হবে। ইরানি কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন, অতিরিক্ত চাপ কূটনৈতিক আলোচনাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

ইরান এর আগে জানিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে সামরিক বা অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানো হলে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন স্বার্থের ওপরও এর প্রভাব পড়তে পারে।

তেলের বাজারে উদ্বেগ

ইরান বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল উৎপাদক। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে উত্তেজনা থাকায় ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারেও উদ্বেগ তৈরি করছে।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের বিপুল পরিমাণ তেল ও গ্যাস পরিবহন হয়। এই রুটে বড় ধরনের বাধা তৈরি হলে এশিয়া ও ইউরোপের জ্বালানি বাজারে দাম বাড়তে পারে।

তবে নতুন নিষেধাজ্ঞার ঘোষণার পরও মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা যায়নি; বরং কিছু বাজারে দাম কমেছে।

কূটনীতির সুযোগ কতটা?

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনার পাশাপাশি মধ্যস্থতার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশ দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনার পথ খোলা রাখার আহ্বান জানিয়েছে।

কিন্তু নিষেধাজ্ঞা, পাল্টা হুমকি এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনা একসঙ্গে চলতে থাকায় পরিস্থিতি এখনও অত্যন্ত অনিশ্চিত।