এখন সময় ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০ জুলাই ২০২৬ , ১১:৫৩ এ এম

অনলাইন সংস্করণ

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আজ দায়িত্ব নিচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম

যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আজ সোমবার দায়িত্ব নিচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সাক্ষাতের পর তিনি স্যার কিয়ার স্টারমারের স্থলাভিষিক্ত হয়ে দেশটির ৫৯তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। গত ১০ বছরের মধ্যে তিনি যুক্তরাজ্যের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী।

চার বছরের ব্যবধানে এটি যুক্তরাজ্যের পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তন। তাই দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিনেই রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিতে যাচ্ছেন বার্নহ্যাম। ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের সামনে দেওয়া তাঁর প্রথম ভাষণে জনগণকে ‘স্বস্তির সুযোগ’ দেওয়ার অঙ্গীকার করবেন তিনি।

ভাষণে বার্নহ্যাম স্বীকার করবেন যে, ঘন ঘন প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তনের কারণে জনগণের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তিনি এ বিষয়ে ‘পুরোপুরি সচেতন’ বলেও উল্লেখ করবেন। একই সঙ্গে রাজনীতিকে আরও দায়িত্বশীল ও স্থিতিশীল করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে দেশকে সামনে থাকা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সৎ ও বাস্তববাদী হওয়ার আহ্বান জানাবেন।

গ্রেটার ম্যানচেস্টারের সাবেক মেয়র এবং মেকারফিল্ডের এমপি অ্যান্ডি বার্নহ্যাম রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমিয়ে স্বস্তি ফিরিয়ে আনার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। গত শুক্রবার ৩৭৯ জন এমপির সমর্থনে তিনি লেবার পার্টির নতুন নেতা নির্বাচিত হন। তবে বিরোধী দলের কয়েকজন নেতা তাঁর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর সাধারণ নির্বাচন আয়োজনের দাবিও জানিয়েছেন।

দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম কয়েক মাসেই তিনি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত পদক্ষেপ নিতে পারেন। এর মধ্যে রয়েছে সব প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকের জন্য প্রস্তাবিত ডিজিটাল আইডি পরিকল্পনা বাতিল, পানি ও জ্বালানি কোম্পানিগুলোকে সরকারি নিয়ন্ত্রণে আনার উদ্যোগ এবং নতুন কাউন্সিল হাউজিং নির্মাণ কর্মসূচি। এছাড়া উত্তর সাগরে নতুন তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান নিয়ে সরকারের অবস্থানও আলোচনায় রয়েছে।

প্রথম ভাষণে তিনি সরকারের অভ্যন্তরীণ অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরবেন। এরপরই নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের কাজ শুরু করবেন। চ্যান্সেলর পদে এড মিলিব্যান্ড ও শাবানা মাহমুদের নাম আলোচনায় রয়েছে।

লেবার পার্টির নেতা নির্বাচিত হওয়ার পর দেওয়া ভাষণে বার্নহ্যাম বলেছিলেন, তাঁর নেতৃত্বে যুক্তরাজ্য গত ৪০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবর্তনের সাক্ষী হবে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর প্রথম দিন থেকেই সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন শুরু হচ্ছে।