প্রকাশিত: ১১ জুলাই ২০২৬ , ০৫:২৬ এ এম
অনলাইন সংস্করণ
সৌদি আরব বাংলাদেশসহ সাত দেশের নাগরিকদের জন্য নতুন একটি ইলেকট্রনিক পর্যটন ভিসা (ই-ভিসা) প্যাকেজ চালু করেছে। নতুন এই ব্যবস্থায় অনুমোদিত ভ্রমণ প্যাকেজ বুকিং করলেই আলাদা করে ভিসার আবেদন বা সৌদি দূতাবাসে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না। শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছে গালফ নিউজ।
সৌদি আরবের পর্যটন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রাথমিক পর্যায়ে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মিসর, জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া ও মেক্সিকোর নাগরিকরা এই সুবিধা পাবেন। ভবিষ্যতে আরও কয়েকটি দেশকে কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
নতুন ব্যবস্থায় অনুমোদিত ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে একসঙ্গে বিমান টিকিট, হোটেল বুকিং এবং ই-ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে। প্যাকেজ কেনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ই-ভিসা ইস্যু করা হবে এবং ভিসা, ভ্রমণ বিমা ও প্রয়োজনীয় নথি ই-মেইলে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। বর্তমানে রিজার্ভাল ও আলমোসাফের নামের দুটি ট্রাভেল এজেন্সি এই সেবা দেওয়ার অনুমোদন পেয়েছে।
এই কর্মসূচির আওতায় ইস্যু হওয়া ভিসার মেয়াদ হবে তিন মাস এবং এটি একবার প্রবেশের (সিঙ্গেল এন্ট্রি) সুযোগ দেবে। ভ্রমণকারীরা সর্বনিম্ন দুই দিন থেকে সর্বোচ্চ ৮৮ দিন পর্যন্ত সৌদি আরবে অবস্থান করতে পারবেন। প্যাকেজে যাওয়া-আসার নিশ্চিত বিমান টিকিট, পর্যটন মন্ত্রণালয় অনুমোদিত কমপক্ষে চার তারকা হোটেলে থাকার ব্যবস্থা এবং ই-ভিসা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
প্রথম দুই দিনের জন্য একজন প্রাপ্তবয়স্কের ন্যূনতম প্যাকেজ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার সৌদি রিয়াল। এরপর প্রতিটি অতিরিক্ত দিনের জন্য এক হাজার রিয়াল করে যোগ হবে। ভিসা ইস্যু ও ভ্রমণ বিমাসহ মোট ভিসা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০২ দশমিক ২১ সৌদি রিয়াল। চাইলে অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠান বা বিনোদনমূলক কার্যক্রমের টিকিটও প্যাকেজে যুক্ত করা যাবে।
যদিও এই প্যাকেজে ওমরাহ সেবা বা মক্কা ও মদিনায় আবাসনের ব্যবস্থা নেই, তবে ই-ভিসাধারীরা সৌদি আরবে প্রবেশের পর দেশটির অন্যান্য অঞ্চলের পাশাপাশি মক্কা ও মদিনাও ভ্রমণ করতে পারবেন। আর বিমান বা হোটেল বুকিং বাতিলের ক্ষেত্রে অর্থ ফেরত বা পরিবর্তনের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট অনুমোদিত ট্রাভেল এজেন্সির নীতিমালা অনুযায়ী পরিচালিত হবে।