প্রকাশিত: ১১ জুলাই ২০২৬ , ০৯:২৫ এ এম
অনলাইন সংস্করণ
গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের সময় লেবার পার্টির ভূমিকা নিয়ে প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাজ্যের লেবার রাজনীতিক অ্যান্ডি বার্নহাম। তিনি বলেছেন, সংঘাতের শুরুতে দলটি যেভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল, তা অনেকের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। বর্তমানে তাঁকে যুক্তরাজ্যের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী এবং লেবার পার্টির পরবর্তী নেতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বার্নহাম বলেন, গাজা যুদ্ধের শুরুতে লেবার পার্টির অবস্থান নিয়ে জনগণের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ রয়েছে। তাঁর ভাষায়, দলের প্রতিক্রিয়া অনেক ক্ষেত্রেই যথেষ্ট দৃঢ় ও কার্যকর ছিল না। এ জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।
তিনি আরও বলেন, গাজায় ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডকে ঘিরে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগের পক্ষে ক্রমেই আরও বেশি প্রমাণ সামনে আসছে। তবে তিনি এটিকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে আখ্যা দিতে রাজি হননি। বার্নহামের মতে, এ ধরনের আইনি সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক আদালতের মাধ্যমে নির্ধারিত হওয়াই উচিত, রাজনৈতিক নেতাদের মাধ্যমে নয়।
গাজা যুদ্ধের শুরুর দিকে লেবার পার্টির তৎকালীন নেতা কিয়ার স্টারমার এক রেডিও সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, গাজার ফিলিস্তিনিদের জন্য পানি, বিদ্যুৎ ও খাদ্য সরবরাহ বন্ধ করার অধিকার ইসরায়েলের রয়েছে। ওই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দলটির ভেতরে-বাইরে ব্যাপক সমালোচনা হয়।
অ্যান্ডি বার্নহাম কয়েক মাস আগেও গ্রেটার ম্যানচেস্টরের মেয়র ছিলেন। পরে তিনি পদ ছেড়ে মেকারফিল্ড আসনের উপনির্বাচনে অংশ নেন এবং বড় ব্যবধানে জয়ী হন। এরপর কিয়ার স্টারমার লেবার পার্টির নেতৃত্ব ও প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়ার ঘোষণা দিলে বার্নহামকে দলের নেতৃত্বের অন্যতম শক্তিশালী সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।