ভাষা নির্বাচন / Select Language
  • 🇧🇩
    বাংলা মূল ভাষা (Original)
  • 🇺🇸
    English English
খেলাধুলা ডেস্ক • প্রকাশিত: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৬:১৩ পিএম • অনলাইন সংস্করণ

এমবাপ্পের একমাত্র গোলে প্যারাগুয়ের প্রতিরোধ ভেঙে শেষ আটে ফ্রান্স

এমবাপ্পের একমাত্র গোলে প্যারাগুয়ের প্রতিরোধ ভেঙে শেষ আটে ফ্রান্স

বিশ্বকাপে চমক জাগানো প্যারাগুয়ের দুর্দান্ত লড়াই শেষ পর্যন্ত থামাল ফ্রান্স। পুরো ম্যাচজুড়ে কঠিন প্রতিরোধ গড়ে তুললেও কিলিয়ান এমবাপ্পের করা একমাত্র পেনাল্টি গোলেই ১-০ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে গেছে ২০১৮ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

টুর্নামেন্টজুড়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে নজর কেড়েছিল প্যারাগুয়ে। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল ও উরুগুয়ের মতো শক্তিশালী দলকে হারানোর পর মূল পর্বের শেষ বত্রিশে জার্মানিকেও বিদায় করে তারা। ফলে শেষ ষোলোতে ফ্রান্সের বিপক্ষেও কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছিল, যা বাস্তবেও দেখা যায় পুরো ম্যাচজুড়ে।

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে দুই দলের মধ্যে ৩৮ ধাপের ব্যবধান থাকলেও মাঠের লড়াইয়ে তার কোনো ছাপ ছিল না। প্রথমার্ধে বলের দখল ও আক্রমণে স্পষ্ট আধিপত্য দেখায় ফ্রান্স। একের পর এক আক্রমণ সাজিয়েও প্যারাগুয়ের সুসংগঠিত রক্ষণ ভাঙতে পারেনি দিদিয়ে দেশমের শিষ্যরা। ফলে গোলশূন্য অবস্থায় বিরতিতে যায় দুই দল।

বিরতির পরও একই চিত্র দেখা যায়। ফ্রান্স আক্রমণের ধার বাড়ালেও প্যারাগুয়ে সুযোগ পেলেই পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা চালায়। ম্যাচের ৬০ মিনিটের পর মাঠে কিছুটা উত্তেজনাও ছড়িয়ে পড়ে। বল দখলের লড়াইয়ে এমবাপ্পেকে থামাতে গিয়ে আন্দ্রেস কিউবাস ফাউল করলে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে সতীর্থদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে আসে।

ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয় ৬৯তম মিনিটে। ফরাসি ফরোয়ার্ড দেজিরে দুয়েকে বক্সের ভেতরে ফাউল করলে ভিডিও সহকারী রেফারির (ভিএআর) সহায়তায় পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন ম্যাচ রেফারি। স্পট কিক নিতে এসে কোনো ভুল করেননি এমবাপ্পে। গোলরক্ষক অরলান্দো গিলকে ভুল পথে পাঠিয়ে জালে বল জড়িয়ে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন তিনি।

গোল হজমের পর সমতায় ফেরার চেষ্টা চালায় প্যারাগুয়ে। তবে ফরাসি রক্ষণ ছিল সতর্ক। অন্যদিকে যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলের দারুণ সুযোগ পান এমবাপ্পে। কিন্তু তার প্রথম শট দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন গিল। ফিরতি বলেও এমবাপ্পেকে হতাশ করেন প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক।

এই সুযোগটি কাজে লাগাতে পারলে বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা ২০-এ নিয়ে গিয়ে লিওনেল মেসির একটি উল্লেখযোগ্য রেকর্ডে ভাগ বসাতে পারতেন এমবাপ্পে। যদিও শেষ পর্যন্ত তা আর সম্ভব হয়নি।

তবে সেই আক্ষেপ ছাপিয়ে জয়ই সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ফ্রান্সের। ১-০ ব্যবধানের এই জয়ে শেষ আট নিশ্চিত করেছে ইউরোপের দলটি। কোয়ার্টার ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ হবে মরক্কো।