এখন সময় বিশ্লেষণ

প্রকাশিত: ০৬ অক্টোবার ২০২৬ , ১০:৪৫ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

আক্তারুজ্জামান নয়, কাঠগড়ায় বিমানবন্দরও

আক্তারুজ্জামান নয়, কাঠগড়ায় বিমানবন্দরও

এখন সময় বিশ্লেষণ 

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সাম্প্রতিক ঘটনায় সাবেক সংসদ সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামান রঞ্জনকে গ্রেপ্তার, রিমান্ড, হাতকড়া-হেলমেট পরানো এবং আদালতে আনা নেওয়ার দৃশ্য এখন জাতীয় আলোচনার বিষয়। মামলার অভিযোগ গুরুতর। বিমানবন্দরের মতো সংবেদনশীল স্থানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা, নির্বাহী পরিচালককে হুমকি এবং নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আদালত পুলিশের পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদনের বিপরীতে এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 

আইনের শাসনের প্রশ্নে এখানে কোনো দ্বিধা থাকার কথা নয়। বিমানবন্দর একটি কেপিআই এলাকা। সেখানে শৃঙ্খলা ভঙ্গ, কর্মকর্তাকে হুমকি বা নিরাপত্তাকর্মীর ওপর আঘাতের অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত হবে। কেউ সাবেক সেনা কর্মকর্তা, সাবেক সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক নেতা বা মুক্তিযোদ্ধা হলেই আইনের ঊর্ধ্বে চলে যান না। কিন্তু একই সঙ্গে আরও বড় একটি প্রশ্ন সামনে এসেছে।

একজন ব্যক্তির তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়াকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রের আইনপ্রয়োগ এত দ্রুত ও দৃশ্যমান হলো, অথচ সেই প্রতিক্রিয়ার পেছনে থাকা বিমানবন্দরের দীর্ঘদিনের অব্যবস্থা, প্রবাসী যাত্রীদের প্রতিদিনের ভোগান্তি, লাগেজ ও ট্রলির সংকট, হয়রানির অভিযোগ এবং সেবার ব্যর্থতা, এসব কি একই গুরুত্বে তদন্তের আওতায় আসছে? এই প্রশ্নটিই এখন জনস্বার্থের কেন্দ্রে থাকা উচিত।

ঘটনার দুই বয়ান

মামলার নথি ও পুলিশি বর্ণনা অনুযায়ী, ১ অক্টোবর মদিনা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটের যাত্রীরা নামার পর লাগেজ ও ট্রলি সংকটকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, আখতারুজ্জামান বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদের দিকে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে এগিয়ে যান এবং তাঁকে হুমকি দেন। আরও অভিযোগ, তিনি নিরাপত্তা সুপারভাইজারকে শারীরিকভাবে আঘাত করেন। 

অন্যদিকে আখতারুজ্জামানের সমর্থিত দল ও সমর্থকদের বক্তব্য, তিনি ওমরাহ শেষে দেশে ফিরে অন্যান্য যাত্রীর মতোই বিমানবন্দরের হয়রানি ও ভোগান্তির মুখোমুখি হন এবং সেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার তাঁর মুক্তি দাবি করে বলেছেন, বিমানবন্দরে ভোগান্তির প্রতিবাদ করায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

এই দুই বয়ানের কোনটি কতটা সত্য, তা আদালত, তদন্ত ও প্রমাণের বিষয়। সংবাদমাধ্যমের কাজ কারও পক্ষে বিচার ঘোষণা করা নয়।

কিন্তু সংবাদমাধ্যমের আরেকটি দায়িত্ব আছে। সেটি হলো ঘটনার দৃশ্যমান অংশের বাইরে থাকা প্রাতিষ্ঠানিক প্রশ্নকে সামনে আনা।

হেলমেট, হাতকড়া ও রিমান্ডের বার্তা

আদালতে নেওয়ার সময় আখতারুজ্জামানের হাতে হাতকড়া ও মাথায় হেলমেট পরানোর চেষ্টা করা হয়। তিনি আপত্তি জানান এবং হেলমেট খুলে ছুড়ে ফেলেন বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, “নির্যাতন দিয়ে আমাদের সংগ্রাম থামানো যাবে না” এবং রাষ্ট্রের মিসম্যানেজমেন্ট নিয়ে সমালোচনা করেন। 

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিরাপত্তার যুক্তিতে আসামিকে হেলমেট বা বুলেটপ্রুফ ভেস্ট পরাতে পারে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই মামলার প্রকৃতি, আসামির পরিচয়, ঘটনার অভিযোগ এবং বাস্তব ঝুঁকির আলোকে এমন দৃশ্যমান নিরাপত্তা প্রদর্শন কতটা প্রয়োজনীয় ছিল।

বাংলাদেশে বহু গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রেও আইনপ্রয়োগের দৃশ্যমানতা অনেক সময় এত নাটকীয় হয় না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, এটি কি নিরাপত্তার প্রয়োজন, না কি জনসমক্ষে অপমানের অতিরিক্ত প্রদর্শন।

আইনের শাসন মানে শাস্তির আগে অপমান নয়। অভিযুক্ত ব্যক্তি অপরাধী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তাঁরও মৌলিক মর্যাদা আছে। রিমান্ড তদন্তের উপায় হতে পারে, প্রতিশোধের ভাষা নয়।

বিমানবন্দরের ভেতরে জমে থাকা ক্ষোভ

আখতারুজ্জামানের আচরণ আইনের বিচারে সঠিক না ভুল, সেটি আলাদা প্রশ্ন। কিন্তু তাঁর ক্ষোভ যে একা তাঁর ব্যক্তিগত ক্ষোভ নয়, সেটিও অস্বীকার করা কঠিন।

বাংলাদেশের প্রবাসী শ্রমিক, ওমরাহ-হজযাত্রী, বিদেশফেরত পরিবার, বয়স্ক যাত্রী, অসুস্থ যাত্রী, নারী ও শিশু, বিমানবন্দরে লাগেজ বিলম্ব, ট্রলির সংকট, অদক্ষ সেবা, হয়রানি, অস্বচ্ছ প্রটোকল, অসহযোগিতা এবং কখনো কখনো অবমাননাকর আচরণের অভিযোগ বহুদিনের। একটি জাতির প্রবাসী জনগোষ্ঠী রেমিট্যান্স পাঠিয়ে অর্থনীতিকে শক্তি দেয়, অথচ দেশের প্রধান বিমানবন্দরে তারা প্রায়ই মর্যাদাহীন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন, এটি শুধু সেবার ব্যর্থতা নয়, রাষ্ট্রের মানসিকতার ব্যর্থতা।

মামলার বিবরণেও ট্রলি ও লাগেজ সংকটের কথা আছে। অর্থাৎ ঘটনার সূচনা কোনো রাজনৈতিক সভাস্থলে নয়, বিমানবন্দরের সেবা ব্যর্থতার একটি বাস্তব পরিস্থিতিতে।

তাহলে তদন্তের প্রশ্ন হওয়া উচিত দুই দিকেই।আখতারুজ্জামান আইন ভেঙেছেন কি না, তা তদন্ত হোক। কিন্তু একই সঙ্গে তদন্ত হোক, ওই সময় ট্রলি সংকট কেন হলো, লাগেজ বিলম্ব কেন হলো, জমজমের পানি সরবরাহে সমস্যা কেন হলো, যাত্রীদের ক্ষোভ কোন পর্যায়ে গিয়েছিল, কর্মকর্তারা পরিস্থিতি সামলাতে কী করেছিলেন, এবং বিমানবন্দরে বিদেশফেরত যাত্রীদের সেবার মান আসলে কতটা গ্রহণযোগ্য। শুধু প্রতিবাদকারীকে শাস্তি দিয়ে সেবা ব্যবস্থার ব্যর্থতাকে আড়াল করলে জনঅসন্তোষ কমবে না।

প্রবাসীর মর্যাদা শুধু স্লোগানে নয়

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবাসী আয়ের অবদান রাষ্ট্র বারবার স্বীকার করে। প্রবাসীদের বলা হয় রেমিট্যান্স যোদ্ধা। কিন্তু “রেমিট্যান্স যোদ্ধা” কথাটি যদি বিমানবন্দরের আগমনী হলে এসে মর্যাদাহীন অপেক্ষা, ট্রলি সংকট, লাগেজ হারানো, দুর্ব্যবহার ও দালালি সংস্কৃতিতে ভেঙে পড়ে, তাহলে সেই সম্মান কাগজে-কলমেই থেকে যায়।

একজন প্রবাসী যখন বহু বছর পর দেশে ফেরেন, বিমানবন্দরই তাঁর কাছে রাষ্ট্রের প্রথম মুখ। সেই মুখ যদি হয় বিশৃঙ্খল, অবমাননাকর ও অনির্ভরযোগ্য, তাহলে বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার কথা বলার আগে ঘরের দরজার অবস্থা দেখতে হবে।

রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি শুধু বিমানবন্দরের ভেতরে উচ্চস্বরে প্রতিবাদে ক্ষুণ্ন হয় না। রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় যখন যাত্রী ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাগেজের জন্য অপেক্ষা করেন, বয়স্ক মানুষ ট্রলি পান না, বিদেশফেরত শ্রমিককে অশ্রদ্ধার চোখে দেখা হয়, আর অভিযোগ জানানোর কার্যকর ব্যবস্থা থাকে না।

বিচার একমুখী হলে আস্থা ভাঙে

আখতারুজ্জামানের ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়েছে। অভিযোগ, মামলা, গ্রেপ্তার, রিমান্ড, সবকিছু দ্রুত দৃশ্যমান হয়েছে। কিন্তু বিমানবন্দরের সেবাজনিত অভিযোগের ক্ষেত্রে সাধারণ যাত্রী কি এমন দ্রুত প্রতিকার পান? এই বৈষম্যই জনমনে প্রশ্ন তৈরি করে।

কোনো কর্মকর্তা অপমানিত হলে রাষ্ট্র দ্রুত সক্রিয় পৃষ্ঠার পর

হয়, কিন্তু যাত্রী অপমানিত হলে সে কাকে পায়?

কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তি উত্তেজিত হলে মামলা হয়, কিন্তু যাত্রীদের বারবার ভোগান্তির জন্য দায়ী ব্যবস্থাপকদের কী জবাবদিহি হয়?

একজনের ভাষা বা আচরণ যদি অগ্রহণযোগ্য হয়, তবে বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনার দীর্ঘদিনের অকার্যকারিতাও কি গ্রহণযোগ্য?

আইনের মর্যাদা তখনই থাকে, যখন তা শুধু ক্ষমতার মর্যাদা রক্ষা করে না, নাগরিকের মর্যাদাও রক্ষা করে।

তদন্ত চাই, কিন্তু পূর্ণাঙ্গ তদন্ত

এই ঘটনায় একটি পূর্ণাঙ্গ, নিরপেক্ষ তদন্ত দরকার। তদন্তের পরিধি যেন শুধু আখতারুজ্জামানের আচরণে সীমাবদ্ধ না থাকে। বরং কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর প্রকাশ্যে আসা দরকার।

ওই ফ্লাইটের যাত্রীরা কতক্ষণ লাগেজের জন্য অপেক্ষা করেছেন। কতটি ট্রলি ছিল এবং কতটি ব্যবহারযোগ্য ছিল।

জমজমের পানি বা লাগেজ সরবরাহে বিলম্বের কারণ কী ছিল। কোন কর্মকর্তারা পরিস্থিতি সামলানোর দায়িত্বে ছিলেন। যাত্রীদের অভিযোগ গ্রহণের ব্যবস্থা ছিল কি না। সিসিটিভি ফুটেজে কী দেখা যায়। নিরাপত্তাকর্মীকে আঘাতের অভিযোগের প্রমাণ কী।

আখতারুজ্জামানের বক্তব্য, উপস্থিত যাত্রীদের বক্তব্য এবং কর্মকর্তাদের বক্তব্য, সবই বিবেচনায় নিতে হবে। তদন্ত যদি শুধু এক পক্ষের অভিযোগের ওপর দাঁড়ায়, তাহলে আস্থার সংকট আরও বাড়বে।

প্রতিবাদের ভাষা ও রাষ্ট্রের ভাষা

এখানে একটি ভারসাম্যও জরুরি। বিমানবন্দরে ক্ষোভ থাকলেও কোনো কর্মকর্তা বা নিরাপত্তাকর্মীকে হুমকি দেওয়া, অশোভন ভাষা ব্যবহার করা বা শারীরিকভাবে আঘাত করা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। রাষ্ট্রের ব্যবস্থাপনা খারাপ হলেও নাগরিকের প্রতিবাদ আইনের সীমা মেনে হওয়া উচিত। কিন্তু রাষ্ট্রের ভাষাও শালীন হতে হবে। রাষ্ট্র প্রতিশোধপরায়ণ হলে নাগরিক ক্ষোভ আরও বাড়ে। একজন অভিযুক্তকে জনসমক্ষে এমনভাবে প্রদর্শন করা, যাতে মনে হয় আইন নয়, ক্ষমতা কথা বলছে, এটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর।

প্রতিবাদ যদি সীমা না মানে, তা বিশৃঙ্খলায় যায়। রাষ্ট্র যদি সীমা না মানে, তা ভয়ের সংস্কৃতিতে যায়। দুইয়ের কোনোটিই কাম্য নয়।

আসল সংস্কার বিমানবন্দরে

এই ঘটনা আমাদের সামনে একটি সুযোগও এনে দিয়েছে। সরকার চাইলে এটিকে একজন রাজনৈতিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা হিসেবে সীমাবদ্ধ রাখতে পারে। আবার চাইলে এটিকে শাহজালাল বিমানবন্দরের সেবা ব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের সূচনা হিসেবেও নিতে পারে।

প্রবাসী যাত্রীদের জন্য আলাদা দ্রুত সহায়তা ডেস্ক, বয়স্ক ও অসুস্থ যাত্রীর জন্য ট্রলি ও হুইলচেয়ার নিশ্চয়তা, লাগেজ ট্র্যাকিং, অভিযোগ নিষ্পত্তির ডিজিটাল ব্যবস্থা, সিসিটিভি ভিত্তিক জবাবদিহি, ট্রলি সরবরাহের রিয়েল-টাইম মনিটরিং, দালালি ও প্রটোকল অপব্যবহার বন্ধ, এবং যাত্রীসেবায় কর্মীদের আচরণবিধি, এসব এখন বিলাসিতা নয়। এগুলো ন্যূনতম রাষ্ট্রসেবা।

বাংলাদেশের বিমানবন্দর শুধু একটি স্থাপনা নয়। এটি দেশের দরজা। সেই দরজায় নাগরিক যদি অপমানিত হন, তাহলে উন্নয়নের ভাষা দুর্বল হয়ে যায়।

আখতারুজ্জামান আইন ভেঙে থাকলে তার বিচার হবে। কিন্তু সেই বিচার যেন বিমানবন্দরের দীর্ঘদিনের ব্যর্থতাকে ঢেকে না দেয়।

একজন মানুষের ক্ষোভকে অপরাধের কাঠগড়ায় তোলা সহজ। কিন্তু যে ব্যবস্থার কারণে শত শত যাত্রী প্রতিদিন ক্ষুব্ধ হন, সেটিকে কাঠগড়ায় তোলা কঠিন। রাষ্ট্রের প্রকৃত শক্তি সেই কঠিন কাজটি করার মধ্যে।

এই ঘটনার বিচার শুধু আদালতে হবে না, জনমতেও হবে। মানুষ দেখবে, রাষ্ট্র কেবল একজন প্রতিবাদী ব্যক্তিকে কঠোর হাতে ধরল, নাকি সেই প্রতিবাদের পেছনের বাস্তব কষ্টকেও স্বীকার করল।

বিমানবন্দর কাণ্ডে তাই আসল প্রশ্ন আখতারুজ্জামান একা নন। আসল প্রশ্ন হলো, প্রবাসী ও সাধারণ যাত্রীদের সঙ্গে রাষ্ট্রের আচরণ কবে বদলাবে।

যদি এই ঘটনা বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনার সংস্কারের সূচনা করে, তবে তিক্ত ঘটনাও জনস্বার্থে শিক্ষা হয়ে উঠতে পারে। আর যদি সব রাগ এক ব্যক্তির ওপর ঝেড়ে দিয়ে বিমানবন্দরের পুরোনো অব্যবস্থাকে অক্ষত রাখা হয়, তবে সেটি হবে বিচার নয়, সমস্যাকে আড়াল করার আরেকটি সরকারি অনুশীলন।