প্রকাশিত: ১২ আগষ্ট ২০২৬ , ০৯:২৯ এ এম
অনলাইন সংস্করণ
ডারউইনে কঠিন পরীক্ষায় টাইগাররা; অস্ট্রেলিয়ার একাদশে ফিরেছেন হ্যাজেলউড, অভিষেক হচ্ছে জেক ওয়েদারাল্ডের
দীর্ঘ ১৮ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে নামছে বাংলাদেশ। দুই ম্যাচের সিরিজের প্রথম টেস্টে আগামীকাল, ১৩ আগস্ট, ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। ম্যাচটি চলবে ১৩ থেকে ১৭ আগস্ট।
বাংলাদেশের জন্য এটি অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে দীর্ঘ বিরতির পর টেস্ট ক্রিকেটে ফেরার সুযোগ। সর্বশেষ ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলেছিল বাংলাদেশ। এবার সিরিজের প্রথম ম্যাচটি ডারউইনে, আর দ্বিতীয় টেস্ট হবে ম্যাকেতে ২২ থেকে ২৬ আগস্ট।
ম্যাচের আগে বাংলাদেশ শিবিরে স্বস্তির খবর এসেছে। দলের উইকেটকিপার-ব্যাটার লিটন দাস পায়ের পেশির চোট থেকে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে প্রথম টেস্ট খেলার জন্য প্রস্তুত। অধিনায়ক শান্ত জানিয়েছেন, লিটন ব্যাটিং ও উইকেটকিপিং অনুশীলন সফলভাবে শেষ করেছেন।
তবে বাংলাদেশের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী বোলিং আক্রমণ। স্বাগতিকদের ঘোষিত একাদশে ফিরেছেন অভিজ্ঞ পেসার জশ হ্যাজলউড। অধিনায়ক প্যাট কামিন্স ও মিচেল স্টার্কের সঙ্গে তাঁর প্রত্যাবর্তনে অস্ট্রেলিয়ার পেস আক্রমণ আরও শক্তিশালী হয়েছে। স্পিনে থাকছেন নাথান লায়ন।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে প্রথম টেস্ট খেলতে যাচ্ছেন ডারউইনের স্থানীয় ক্রিকেটার জেক ওয়েদারাল্ড। ফলে ম্যাচটি তাঁর জন্যও বিশেষ আবেগের।
প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশ ৫৪ রানে অলআউট হলেও অধিনায়ক শান্ত সেটিকে বড় করে দেখতে রাজি নন। তাঁর মতে, সেটি ছিল দলের একটি খারাপ দিন। মূল টেস্টে ব্যাটারদের ধৈর্য এবং বোলারদের নিয়ন্ত্রিত আক্রমণই বাংলাদেশের সাফল্যের চাবিকাঠি হতে পারে।
বাংলাদেশের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো উইকেট। শান্ত জানিয়েছেন, পরিস্থিতি বিবেচনায় তিন পেসারের সঙ্গে দ্বিতীয় স্পিনার খেলানোর সম্ভাবনাও রয়েছে।
সব মিলিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজটি বাংলাদেশের জন্য শুধু আরেকটি টেস্ট সিরিজ নয়; বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের গুরুত্বপূর্ণ লড়াইও। অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী দলের বিপক্ষে বাংলাদেশের তরুণ ও অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররা কতটা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেন, এখন সেটিই দেখার।