ঢাকা অফিস

প্রকাশিত: ২৬ আগষ্ট ২০২৬ , ০৬:১৮ এ এম

অনলাইন সংস্করণ

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে বন্ধ ৬০০ টেক্সটাইল কারখানা

উৎপাদন ব্যাহত, শিল্প খাতে বাড়ছে উদ্বেগ; জরুরি সমাধান চায় মালিকদের সংগঠন

গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটে দেশের টেক্সটাইল শিল্পে উৎপাদন বড় ধরনের ধাক্কা খাচ্ছে। বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) জানিয়েছে, গত এক মাসে জ্বালানি সংকটের কারণে প্রায় ৬০০টি টেক্সটাইল কারখানায় উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে।

মঙ্গলবার সংগঠনটির জরুরি বোর্ড সভায় চলমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের প্রভাব নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় বলা হয়, পর্যাপ্ত গ্যাসের চাপ না থাকায় অনেক কারখানা পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন চালাতে পারছে না। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় উৎপাদন পরিকল্পনা ব্যাহত হচ্ছে।

টেক্সটাইল খাত বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের অন্যতম প্রধান জোগানদাতা। সুতা, কাপড় ও অন্যান্য কাঁচামাল উৎপাদনের বড় একটি অংশ এই খাতের ওপর নির্ভরশীল। ফলে টেক্সটাইল কারখানায় উৎপাদন কমে গেলে পোশাক খাতেও এর প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় কারখানার মেশিন নির্ধারিত ক্ষমতায় চালানো যাচ্ছে না। কোথাও কোথাও উৎপাদন কয়েক ঘণ্টার জন্য বন্ধ রাখতে হচ্ছে। এতে শ্রমিকদের কাজের সময় কমার পাশাপাশি কারখানার উৎপাদন খরচ বাড়ছে।

বিটিএমএ চলমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছে। সংগঠনটির মতে, দীর্ঘ সময় ধরে জ্বালানি সংকট অব্যাহত থাকলে দেশীয় শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমবে এবং রপ্তানি খাতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

শিল্প মালিকদের আশঙ্কা, উৎপাদন বন্ধ থাকা কারখানাগুলো পুনরায় চালু করতে না পারলে কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগ—দুই ক্ষেত্রেই চাপ তৈরি হবে। তাই শিল্পে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে।