প্রকাশিত: ০৮ সেপ্টেম্বার ২০২৬ , ০৫:১৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
হৃদ্যন্ত্র ভালো রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চা, সুষম খাবার ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন গুরুত্বপূর্ণ। তবে হৃদ্যন্ত্রের অবস্থা বোঝার জন্য শরীরের কিছু পরিবর্তনের দিকেও নজর রাখা যায়। এসব লক্ষণ হৃদরোগের নিশ্চিত পরীক্ষা নয়, তবে কার্ডিওভাসকুলার ফিটনেস সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা দিতে পারে।
সিঁড়ি ভাঙতে অতিরিক্ত শ্বাসকষ্ট না হওয়া
দ্রুত হাঁটা বা কয়েক তলা সিঁড়ি ওঠার পর অস্বাভাবিক শ্বাসকষ্ট না হলে তা সাধারণত হৃদ্যন্ত্র, ফুসফুস ও পেশির সমন্বিত কর্মক্ষমতার ইতিবাচক ইঙ্গিত। তবে আগে যে কাজ সহজেই করতে পারতেন, সেটিতেই হঠাৎ শ্বাসকষ্ট শুরু হলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।
শরীরচর্চার সময় হৃদ্স্পন্দন বেড়ে যাওয়া স্বাভাবিক। ব্যায়াম থামানোর পর ধীরে ধীরে তা কমে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। শরীরচর্চার পর আগের তুলনায় দীর্ঘ সময় দুর্বল বা হাঁপিয়ে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।
নিয়মিত হাঁটা, সাইকেল চালানো, সাঁতার বা দৈনন্দিন কাজ করতে গিয়ে অস্বাভাবিক ক্লান্তি না হলে সেটি ভালো শারীরিক সক্ষমতার লক্ষণ হতে পারে। বিপরীতে, হঠাৎ কর্মক্ষমতা কমে যাওয়া বা দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি উপেক্ষা করা ঠিক নয়। বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে হৃদ্যন্ত্রের সমস্যায় সবসময় বুকে ব্যথা নাও থাকতে পারে।
প্রাপ্তবয়স্কদের সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি মাত্রার শারীরিক কার্যকলাপের লক্ষ্য রাখা উচিত। দ্রুত হাঁটা, সাইকেল চালানো বা সাঁতারও এর মধ্যে পড়ে।
উচ্চ রক্তচাপ অনেক সময় কোনো স্পষ্ট উপসর্গ ছাড়াই থাকে। তাই নিয়মিত রক্তচাপ মাপা গুরুত্বপূর্ণ। বারবার রক্তচাপ বেশি পাওয়া গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা বা হঠাৎ কর্মক্ষমতা কমে গেলে শুধু ‘ফিটনেস’ ধরে না নিয়ে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।