নির্বাচন কমিশনের কঠোর নির্দেশনা : মধ্য রাতেই কেন্দ্র দখল

নির্বাচন কমিশনের সকল কঠোর নির্দেশনার পরও অনিয়ম ঠেকানো যায়নি । ক্ষমতা প্রয়োগের অনুমতি দিয়ে সেনাবাহিনীকেও মাঠে নামানো হয়েছে। তবুও মধ্য রাতেই  কেন্দ্র দখল, এজেন্ট ও নির্বাচন কর্মকর্তাদের মারধর ও বের করে দেয়াসহ গায়েবী ভোট দেয়ার ঘটনা ঘটছে। সকাল ৮টা থেকে ৯১ উপজেলায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। এর মধ্যে কুমিল্লার বরুড়া, বরিশালের আগৈলঝরা ও ভোলার মনপুরায় কেন্দ্র দখলের খবর এসেছে। বরুড়ায় অন্তত ৩০টি কেন্দ্রে মধ্যরাতেই আগাম দখলে নিয়েছে আওয়ামী লীগ সমর্থক প্রার্থীরা। ভোট গ্রহণ শুরুর আগেই বাক্স ভরেছে গায়েবি ভোটে। আগৈলঝরার বিএইনপি একাডেমি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ শুরুর আধা ঘন্টার মধ্যেই ১৮০০ ভোট দেয়া হয়ে গেছে।

ভোলা থেকে প্রতিনিধি জানান, মনপুরায় ভোট গ্রহণ শুরুর আধা ঘন্টা পরই এজেন্ট বের করে দেয়ার হিড়িক পড়ে। বিএনপি সমর্তিত প্রার্থী বাচ্চু চৌধুরী অভিযোগ করেন, গতকাল প্রশাসন আশ্বস্ত করায় আজ সকাল থেকেই এজেন্টরা ভোট কেন্দ্রে যায়। কিন্তু তাদেরকে নিরাপত্তা দেয়নি প্রশাসন। অন্তত ২২টি কেন্দ্র থেকে এজেন্টদেরকে বের করে দেয়া হয়েছে। পিরোজপুর থেকে স্টাফ রিপোর্টার জানান, সদরের ৬৪টি কেন্দ্রের মধ্যে অন্তত অর্ধ শতাধিক কেন্দ্র থেকে বিরোধী দল সমর্থকদের এজেন্ট বের করে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তৃতীয় দফার ভোটে নজিরবিহীন অনিয়ম হওয়ায় চতুর্থ দফার ভোট গ্রহণ শুরুর আগে থেকেই ছিল নানা আলোচনা। কেন্দ্র দখলের ধারাবাহিকতা অব্যহত থাকতে পারে বলে অভিযোগ করা হচ্ছিল বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে। দৃশ্যত কঠোর অবস্থানও দেখিয়েছে নির্বাচন কমিশন। গতকাল শনিবার সেনাবাহিনীকে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারা অনুসারে ক্ষমতা প্রয়োগের জন্য চিঠি দিয়েছে। ব্যালট বাক্স ছিনতাইয়ের চেষ্টা করলে গুলির ব্যবহার হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তবুও দখলের খবর আসছে ভোট গ্রহণ শুরুর পর থেকেই।

You Might Also Like