টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ‘উদ্বোধন’

জমকালো কনসার্টে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ‘উদ্বোধনের’ ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে তিনি আইসিসি আয়োজিত এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। টুর্নামেন্টের খেলা শুরু হবে আরো তিন দিন পর।

টুর্নামেন্টের আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড আয়োজিত ‘বিসিবি সেলিব্রেশন কনসার্ট’ এ প্রধানমন্ত্রী বক্তব্যের শুরুতেই এই আনন্দমুখর আয়োজনে সবাইকে অভিনন্দন জানান।

বক্তব্যের শেষে তিনি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ‘শুভ উদ্বোধন’ ঘোষণা করেন।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কোনো উদ্বোধন অনুষ্ঠান নেই। ক্রিকেটের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর আসরের প্রচারে ‘সেলিব্রেশন কনসার্ট’ নামের এই অনুষ্ঠান আয়োজন করে বিসিবি।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) এই টুর্নামেন্ট ১৬ মার্চ মাঠে গড়াবে, যার ক্ষণগণনা এখনো চলছে। বাংলাদেশের ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের তিনটি মাঠে এই খেলা চলবে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত।

বিশ্বক্রিকেটের এই আয়োজন সফল করতে সবার সহযোগিতা চেয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “আমাদের সরকারের সময়েই ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ আইসিসি ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হয়। ১৯৯৯ সালে প্রথমবারের মত বিশ্বকাপে অংশ নেয়। পরের বছরই আমরা পাই টেস্ট খেলার মর্যাদা।

“আমাদের গত মেয়াদের সরকারের সময় ২০১১ সালে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ বিশ্বকাপ ক্রিকেট আয়োজনের বিরল গৌরব অর্জন করে।এবার সরকার গঠনের পর আমরা দেশবাসীকে উপহার দিচ্ছি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এই বর্ণাঢ্য আসর।”

এই টুর্নামেন্ট সফলের মাধ্যমে দেশের মুখ উজ্জ্বল করতে বিসিবির পাশাপাশি অর্থ মন্ত্রণালয়, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব বিভাগের প্রাণান্তকর প্রচেষ্টার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

এই টুর্নামেন্টের জন্য আসা বিদেশি খেলোয়াড়, অতিথি ও দর্শকদের স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, “আমি আশা করি, বিশ্বকাপের এই আসর পৃথিবীর সেরা খেলোয়াড়দের নৈপুণ্যের নিদর্শন হিসাবে দর্শকদের স্মৃতিতে রয়ে যাবে অনেকদিন।”

CCC_Kallol+(5)

You Might Also Like