বিমসটেকের সম্মেলনে যোগ দিতে মিয়ানমারে প্রধানমন্ত্রী

দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় আঞ্চলিক জোট বিমসটেকের শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে মিয়ানমারের পৌচেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার গঠনের পর এটাই প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর।

সোমবার সকাল আটটায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি নিয়মিত ফ্লাইটে মিয়ানমারের রাজধানী নে পি দওয়ের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। মন্ত্রী পরিষদের সদস্য ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে তাকে বিদায় জানান।

সফরসূচি অনুযায়ী, সফরের প্রথম দিনই মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু চির সঙ্গে প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। মিয়ানমারের স্থানীয় সময় সকাল সোয়া ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর নে পি দওয়ে পৌঁছানোর কথা। সফরসঙ্গীদের নিয়ে সফরের দুই দিন রয়্যাল নে পি দও হোটেলে থাকবেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শীর্ষ সম্মেলনে ৩২ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন। শীর্ষ সম্মেলনের সাইড লাইনে শেখ হাসিনা ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং, শ্রীলংঙ্কার প্রেসিডেন্ট রাজাপাকসেসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। এছাড়া মিয়ানমারের ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান অং সান সূচির সঙ্গে সাক্ষাত্ করবেন প্রধানমন্ত্রী। মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট থেইন সেইনের দেয়া নৈশভোজেও অংশ নেবেন তিনি।

বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলন শেষে ইশতেহার অনুমোদন এবং ৩টি বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। এগুলো হচ্ছে- (১) ঢাকায় বিমসটেকের স্থায়ী সচিবালয় প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক, (২) ভারতের আবহাওয়া ও জলবায়ু বিমসটেক সেন্টার প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক এবং (৩) ভুটানে বিমসটেক কালচারাল ইন্ডাস্ট্রিজ কমিশন ও বিমসটেক কালচারাল ইন্ডাস্ট্রিজ অবজারভেটরী প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ)।

শীর্ষ সম্মেলনের পর ঢাকায় বিমসটেকের স্থায়ী সচিবালয় কার্যকর হবে। বাংলাদেশ সরকার সচিবালয়ের জন্য ইতোমধ্যেই ঢাকায় জমি বরাদ্দ করেছে। প্রধানমন্ত্রী মঙ্গলবার রাত নয়টা দশ মিনিটে ঢাকা ফিরে আসবেন।

You Might Also Like