আত্মবিশ্বাসে ঘাটতি নেই মুশফিকের

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি সিরিজ হেরেছে ২-০ ব্যবধানে। এ পরিসংখ্যান দেখে অবশ্য মাঠের পারফরম্যান্স ঠিক বোঝা যাবে না। দুটি ম্যাচই বাংলাদেশ হেরেছে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা তৈরি করেই। ম্যাচ নিষ্পত্তি হয়েছে শেষ বলে। পরাজয়ের যন্ত্রণাটুকুু বাদ দিয়ে পরাফরম্যান্সের বিচারে বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি হওয়ার কথা নয়। তা ছাড়া ২০১১-এ পাকিস্তানের কাছে ওয়ানডে সিরিজ হারার পর ঘরের মাঠে দ্বিপক্ষীয় সিরিজে এখনো পর্যন্ত হারেনি বাংলাদেশ। এর মাঝে মুশফিকুর রহিমের দল হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও নিউজিল্যান্ডের মতো দলকে।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আগামীকালের প্রথম ওয়ানডে প্রসঙ্গে মুশফিকুর রহিমের আত্মবিশ্বাস উঁচুতেই, ‘টেস্ট ও টি-টোয়েন্টিতে হয়তো ধারাবাহিক ছিলাম না। কিন্তু নিজেদের দিনে ঘরের মাঠে যেকোনো দলকেই হারাতে পারি আমরা। গত ১৮ মাসে আমরা দারুণ ক্রিকেট খেলেছি। ফলে আত্মবিশ্বাসে কোনো ঘাটতি নেই। শ্রীলঙ্কা কঠিন প্রতিপক্ষ। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। আমরা এর জন্য প্রস্তুত।’
খেরোখাতা উল্টিয়ে নিজেদের পারফরম্যান্সও দেখালেন বাংলাদেশ অধিনায়ক, ‘এ বছর আমরা তিনটি ম্যাচ হেরেছি। তবে দুটি ম্যাচে ভাগ্য আমাদের পক্ষে ছিল না। ফলাফলের বিচারে হতাশাজনক। তবে প্রথম টেস্ট থেকে হিসাব করলে আমরা ক্রমেই উন্নতি করছি। এটি সময়ের ব্যাপার মাত্র।’
ইনজুরির কারণে চলতি সিরিজে অভিজ্ঞ আবদুর রাজ্জাক থাকছেন দলের বাইরে। এ ব্যাপারে মুশফিকের মন্তব্য, ‘রাজ ভাইকে (রাজ্জাক) খুব মিস করব। যদিও সানি (আরাফাত সানি) গত দুই ম্যাচে ভালো বল করেছে। রাজ আমাদের সবচেয়ে অভিজ্ঞ বোলার। একদিনের ম্যাচে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রাহক। গত সপ্তাহে ওনার সঙ্গে ছিলাম। তিনি হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির পুনর্বাসনে রয়েছেন। সামনের টুর্নামেন্টগুলোয় তাঁকে পুরোপুরি ফিট হিসেবে পেতে চাই।’
কালকের ম্যাচে কজন পেসার কিংবা স্পিনার খেলাবেন, সেটা অবশ্য এখনই পরিষ্কার করেননি অধিনায়ক, ‘আমাদের দলে চারজন পেসার রয়েছে। তারা অনেক দিন ধরেই একাদশে নিয়মিত খেলছে। খেলায় শিশির বড় নিয়ামক হয়ে দাঁড়াতে পারে। রোববার সারা রাত বৃষ্টি হয়েছে। আমরা হয়তো তিনজন পেসার কিংবা তিনজন স্পিনার খেলাব। এটি নির্ভর করছে শিশিরের ওপর। আমাদের বাঁ-হাতি স্পিনার, পেসার ও অফস্পিনার রয়েছে। আগামীকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করব।’
আগামীকালের ম্যাচে কিপিং করছেন না মুশফিক। বললেন, ‘ব্যাট করলে খুব একটা ব্যথা পাই না। তবে কনে আঙুলে ব্যথা পাওয়ায় কিপিং করাটা ঝুঁকিপূর্ণ। যদি সেখানে আবারও ব্যথা পায়, তবে দীর্ঘ দিনের জন্য মাঠের বাইরে চলে যেতে হবে। ম্যানেজমেন্ট চাইছে কেবল ব্যাটই করি। তা ছাড়া দলে উইকেটরক্ষকের অভাব নেই। দলে রয়েছে শুভ (শামসুর রহমান) ও বিজয়ের (এনামুল হক) মতো উইকেটরক্ষক। ওদের কেউ একজন আগামীকাল কিপিং করবে।’

You Might Also Like