বাংলাদেশের সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট

বাংলাদেশের সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। এ সংশোধনীতে সংসদের হাতে নেয়া হয়েছে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা। এ নিয়ে সম্প্রতি জাতীয় সংসদে একটি বিল পাস হয়েছ।

আজ (বুধবার) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট আবেদনটি দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ড. মো. ইউনুছ আলী আকন্দ। ষোড়শ সংশোধনী সংবিধানের সঙ্গে কেন সাংঘর্ষিক নয় তা জানাতে রুল জারির আবেদন করা হয়েছে এ রিটে। এছাড়া, রিটে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। গত ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের প্রকাশিত গেজেটের বৈধতাও চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে এতে।

রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, জাতীয় সংসদ সচিব ও নির্বাচন কমিশনকে বিবাদী করা হয়েছে।

আবেদনকারী তার রিটে বলেন, ষোড়শ সংশোধনী বিলটি সম্পূর্ণ শিরোনামে স্পষ্টভাবে উল্লেখ নেই বা দীর্ঘ আলোচনা করা হয়নি কিংবা জনগণের মতামত নেয়া হয়নি। এছাড়া সংসদ বলেছে যে, তারা ১৯৭২ সালের সংবিধানে ফিরে যাচ্ছে। ১৯৭২ সালের সংবিধানে বিচারপতিদের বয়স ৬২ বছর ছিল। কিন্তু বর্তমান সংবিধানে তাদের বয়স ৬৭ বছর। এ বিলে বিচারপতিদের বয়স ৬২ বছর করা হয়নি। সুতরাং বলা যাবে না যে, তারা ১৯৭২ সালের সংবিধানে ফিরে যাচ্ছে। সুতরাং বিলটি সম্পূর্ণ স্পষ্টরূপে সংসদে পেশ করা বা পাস হয়নি। এছাড়া সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে ৭খ অনুচ্ছেদ যুক্ত করা হয়েছে যা ১৯৭২ সালের সংবিধানে ছিল না।

গত ২২ সেপ্টেম্বর সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বিলে সম্মতি জানিয়ে স্বাক্ষর করেন রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ। এর মাধ্যমে বিলটি আইনে পরিণত হয়।

এর আগে গত ১৭ সেপ্টেম্বর ৩২৭ জন সংসদ সদস্যের বিভক্তি ভোটে পাস হয় ষোড়শ সংবিধান সংশোধন বিল-২০১৪।

You Might Also Like