এখন সময় ডেস্ক • প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবার ২০২৬, ০৯:২৪ পিএম • অনলাইন সংস্করণ

মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পেছনে ৩৬৬ মিলিয়ন ডলার ব্যয় মাস্কের

মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পেছনে ৩৬৬ মিলিয়ন ডলার ব্যয় মাস্কের

যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসে রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার লক্ষ্যে বিপুল অর্থ ব্যয় করছেন বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক। জুলাইয়ের পর থেকে দলটির পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন ও নির্বাচনী তহবিলে ২৭৬ মিলিয়ন ডলার দিয়েছেন তিনি। এতে চলতি নির্বাচনী চক্রে তাঁর মোট রাজনৈতিক ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৬৬ মিলিয়ন ডলারে।

নির্বাচনী অর্থায়নের নথিপত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস। তবে বিপুল অর্থ ব্যয় করলেও প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে রিপাবলিকানদের সামনে চ্যালেঞ্জ বাড়ছে। অন্যদিকে, দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারে ডেমোক্র্যাটদের সম্ভাবনাও জোরালো হচ্ছে।

মাস্কের সুপার প্যাক আমেরিকা প্যাকের মুখপাত্র তাঁর রাজনৈতিক ব্যয়ের হিসাব নিশ্চিত করেছেন। জুলাইয়ের পর দেওয়া অর্থের মধ্যে সিনেট লিডারশিপ ফান্ড পেয়েছে ১৫৮ মিলিয়ন ডলার। সিনেটে রিপাবলিকানদের নির্বাচনী লড়াইয়ে সহায়তা করাই এই তহবিলের লক্ষ্য। প্রতিনিধি পরিষদের রিপাবলিকানদের সহায়তাকারী কংগ্রেশনাল লিডারশিপ ফান্ড পেয়েছে ২০ মিলিয়ন ডলার। এ ছাড়া আমেরিকা প্যাক পেয়েছে ৭৬ মিলিয়ন ডলার।

টেক্সাসে রিপাবলিকান অ্যাটর্নি জেনারেল কেন প্যাক্সটানের সিনেট নির্বাচনী প্রচারে সহায়তাকারী লোন স্টার লিবার্টি প্যাক পেয়েছে ১০ মিলিয়ন ডলার। পাশাপাশি রিপাবলিকান গভর্নরস অ্যাসোসিয়েশনকে ১০ মিলিয়ন এবং রিপাবলিকান অ্যাটর্নি জেনারেলস অ্যাসোসিয়েশনকে ২ মিলিয়ন ডলার দিয়েছেন মাস্ক।

আমেরিকা প্যাক সাতটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী অঙ্গরাজ্য এবং প্রতিনিধি পরিষদের প্রায় তিন ডজন আসনে রিপাবলিকান প্রার্থীদের সহায়তা করছে।

এদিকে, স্পেসএক্সের সরকারি চুক্তি এবং ট্রাম্প প্রশাসনে মাস্কের সরকারি দক্ষতা বিভাগ পরিচালনার ভূমিকা নিয়ে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতারা। এর আগে ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জয়ের পেছনে প্রায় ২৯০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছিলেন মাস্ক। এবারের নির্বাচনে তাঁর বিপুল অর্থায়ন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ধনকুবেরদের প্রভাব নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে।