ঢাকা অফিস • প্রকাশিত: ৩০ জুলাই ২০২৬, ১২:২১ এ এম • অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারতে স্বাগত জানাতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা কর‌ছি

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারতে স্বাগত জানাতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা কর‌ছি

ভারত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে আগ্রহের কথা জানিয়েছে। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশের সরকারপ্রধানের সম্ভাব্য ভারত সফরকে দুই দেশের সম্পর্কের নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখছে নয়াদিল্লি এবং এই সফর বাস্তবায়নের অপেক্ষায় রয়েছে ভারত।

বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সফরের সময়সূচি বাংলাদেশের সরকারের অগ্রাধিকারের বিষয় হলেও ভারত তাকে স্বাগত জানানোর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।

আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন। ব্রিকসের সদস্য না হলেও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ফলে এই সফর দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক যোগাযোগকে আরও গতিশীল করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সৌজন্য সাক্ষাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করেন ভারতীয় হাইকমিশনার। বৈঠক শেষে তিনি একে অত্যন্ত ইতিবাচক ও আন্তরিক বলে উল্লেখ করেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক কেবল ভৌগোলিক সীমান্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ইতিহাস, সংস্কৃতি, মানুষের পারস্পরিক যোগাযোগ এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ক্ষেত্রেও দুই দেশ ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। ক্রিকেটসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিষয় নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, দুই দেশের জনগণের সুবিধার্থে ভিসা কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হয়েছে এবং পারস্পরিক কল্যাণকে কেন্দ্র করেই ভবিষ্যৎ সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা করছে ভারত।

তিস্তা ও গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, যেকোনো জটিল ইস্যুর সমাধান পারস্পরিক বোঝাপড়া ও আলোচনার মাধ্যমেই সম্ভব। এ বিষয়ে দুই দেশের যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ সক্রিয়ভাবে কাজ করছে এবং আসন্ন উচ্চপর্যায়ের সফরগুলোতে ইতিবাচক অগ্রগতির আশা করা হচ্ছে।

ভারতীয় হাইকমিশনারের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে যে, নয়াদিল্লি ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ককে আরও গভীর ও কার্যকর করার লক্ষ্যে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক যোগাযোগ জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের সফরকে সেই প্রচেষ্টার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।