ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় সারা দিন সূর্যের দেখা মেলেনি। সোমবার সন্ধ্যা থেকে আকাশ আরও কুয়াশাচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে। বছরের শেষ দুই দিনেও এমন হাড়কাঁপানো শীত অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে নতুন বছরের শুরুতেই কুয়াশা কেটে রোদ ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে ১ জানুয়ারি থেকে শীতের তীব্রতা কিছুটা কমে স্বস্তি ফিরতে পারে।
আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, আগামী মঙ্গল ও বুধবার আবহাওয়া পরিস্থিতিতে বড় কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। ২ জানুয়ারি থেকে সারা দেশে পর্যাপ্ত সূর্যের আলো পাওয়ার সম্ভাবনা উজ্জ্বল। আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক জানিয়েছেন, ৫ জানুয়ারির পর আবারও তাপমাত্রা কমতে পারে এবং কোনো কোনো অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ শুরু হতে পারে।
ঘন কুয়াশার কারণে পর্যাপ্ত সূর্যের আলো পৌঁছাতে না পারায় মূলত শীতের অনুভূতি বেশি হচ্ছে। সাধারণত দিনের তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রির নিচে নামলেই শীতের তীব্রতা বাড়ে। গত রবিবার চট্টগ্রাম বাদে দেশের অধিকাংশ স্থানেই দিনের তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রির নিচে ছিল। কিশোরগঞ্জের নিকলীতে দেশের সর্বনিম্ন ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পার্থক্য ৫ ডিগ্রির নিচে নেমে আসায় মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে।