১ জুলাই থেকে স্নাতক সকল বর্ষ এবং স্নাতকোত্তরের চূড়ান্ত পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কর্তৃপক্ষ। আগে যেভাবে হয়েছে সেভাবে হবে’।

আবাসিক হল না খুলে সশরীরে ১ জুলাই থেকে স্নাতক সকল বর্ষ এবং স্নাতকোত্তরের চূড়ান্ত পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কর্তৃপক্ষ। ঢাকার বাইরের শিক্ষার্থীরা সেক্ষেত্রে কোথায় থেকে পরীক্ষা দিবে প্রশ্নে উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এই একটা কঠিন চ্যালেঞ্জ। আগে যেভাবে হয়েছে সেভাবে হবে’। আগে কীভাবে হয়েছে প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমাদের কিছু পরীক্ষা তো নেওয়া হয়েছিল, সেভাবে হবে। কিছু পরীক্ষা আটকে গিয়েছিল। সেসব এবার নেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ’।

অনেক শিক্ষার্থীর ঢাকায় হয়তো থাকার কোনও জায়গা নেই, তাদের কী হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন,  ‘সেটা তো ঠিকই। আগের মতোই হবে।

আবাসিক হল না খুলে সশরীরে ১ জুলাই থেকে স্নাতক সব বর্ষ এবং স্নাতকোত্তরের চূড়ান্ত পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কর্তৃপক্ষ। তবে, করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে একই তারিখ থেকে পরীক্ষা শুরু হবে অনলাইনে।

মঙ্গলবার (১ জুন) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন ঢাবি ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. হাসানুজ্জামান।

ড. মো. হাসানুজ্জামান বলেন, হল না খুলে ১ জুলাই থেকে সশরীরে পরীক্ষা নেওয়া হবে। তবে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে একই তারিখ থেকে অনলাইনে পরীক্ষা নেওয়া হবে। যেসব বিভাগে চূড়ান্ত পরীক্ষা শুরু হয়ে করোনা পরিস্থিতির জন্য বন্ধ হয়ে গেয়েছিল সেসব বিভাগের পরীক্ষা আগামী ১৫ জুন থেকে সশরীরে নেওয়া হবে।

এদিকে হল না খুলে পরীক্ষা নিলে ঢাকার বাইরের শিক্ষার্থীরা কী করবেন প্রশ্নে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল বলেন, কীভাবে পরীক্ষা নেবে তা বিভাগ ও অনুষদ মিলে সিদ্ধান্ত হবে।

এ পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়ার কারণে বহু শিক্ষার্থী ঝরে যাওয়ার শঙ্কা করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রাগিব নাঈম। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আমাদের দাবি হলে থাকার ব্যবস্থা করেই যেন পরীক্ষা নেওয়া হয়। এর আগেও একবার প্রশাসন এভাবে পরীক্ষা নিতে চেয়েছিল। মনে রাখা দরকার, ঢাকার ভেতরের চেয়ে অনেকগুণ বেশি শিক্ষার্থী থাকে ঢাকার বাইরে। সেমিস্টার ফাইনাল এক মাসের ব্যাপার। এই সময়টা একজন শিক্ষার্থী কীভাবে থাকবে। এই পদ্ধতির কারণে সাধারণ শিক্ষার্থীদের হয়রানি হতে হবে।

ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন মনে করেন, বিশ্ববিদ্যালয় সেশনজট নিরসনে শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন নিশ্চিত করে এবং আবাসিক হল খুলে দিয়ে পরীক্ষা হবে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব।

DTbangla

Comment As:

Comment (0)