৩ লাখ টাকায় নতুন জীবন ফিরে পেতে পারে রুনা

ঢাকার ধামরাইয়ে যাদবপুর ইউনিয়নের গুরুগ্রামের মৃত কিমেজ আলীর নাতনি রুনা। নানার বাড়ি থেকেই গুরুগ্রামের প্রথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছে রুনা। প্রতিটি শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে সে। এখন স্থানীয় একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। মেধাবী, হাঁসিখুশি-প্রাণচঞ্চল মেয়েটি খেলাধুলায় মাতিয়ে রাখত বন্ধুদের। সেই সঙ্গে কাজেকর্মে সহযোগিতা করত পরিবারে ও প্রতিবেশীদের।

কিন্তু এখন কাউকে সহযোগিতা করা তো দূরের কথা, সে নিজেই চলতে পারে না। তাকেই আজ অন্যের সহযোগিতা নিয়ে চলতে হচ্ছে। শুধু মনোবল আর সাহস-শক্তি দিয়ে নয় তাকে আর্থিকভাবে সাহায্য সহযোগিতা না করলে তার জীবনই বিপন্ন হয়ে যাবে।

৮-৯ বছর আগে খাট থেকে পড়ে গিয়ে পিঠে আঘাত পায় রুনা। তখন বুঝতে পারেনি খাট থেকে পড়ে যাওয়াটা দিনদিন মৃত্যুর মুখে নিয়ে যাবে তাকে। দিনদিন তার মেরুদণ্ডের হাড় বাঁকা হয়ে যাচ্ছে। প্রচণ্ড ব্যথায় ভুলে যায় সবকিছু। স্কুলে যাওয়া বা খেলাধুলার বদলে যন্ত্রণায় ঘুমাতে পারে না রুনা। হাসিমাখা মুখখানি মলিন হয়ে গেছে। অর্থাভাবে থেমে যেতে বসেছে রুনার জীবন।

এর মধ্যে ঢাকার বাংলাদেশ স্পাইন অ্যান্ড অর্থোপেডিক হসপিটাল প্রাইভেট লিমিটেডের চিকিৎসক অধ্যাপক মো. শাহ আলমের কাছে চিকিৎসা নিয়েছে রুনা। ডাক্তার বলেছেন, অপারেশেন না করলে আস্তে আস্তে রুনা প্যারালাইসড হয়ে যাবে। পঙ্গুত্ববরণ করতে হবে তাকে।

ডাক্তার বলেছেন, তার চিকিৎসা করাতে ২ থেকে ৩ লাখ টাকার প্রয়োজন। কিন্তু এ টাকা রুনা কোথা থেকে জোগাড় করবে!

কাকে বলবে তোমরা আমাকে চিকিৎসা করিয়ে সুস্থ করে তোল। হ্যাঁ, রুনাও বলতে পারত তার মা-বাবাকে। কিন্তু বেঁচে নেই তার বাবা। বাবা মারা যাওয়ার পর মা অন্যত্র সংসার পেতেছে। দাদার বাড়ি ফেনীর সোনাগাজীতেও ঠাঁই হয়নি রুনার। ঠাঁই হয়েছে মামা নজরুল ইসলামের বাড়ি ধামরাইয়ের যাদবপুর ইউনিয়নে গুরুগ্রামে। কিন্তু মামারও অভাবের সংসার। রুনার চিকিৎসা খরচ জোগাতে পারছে না মামা নজরুল ইসলাম। ফলে সমাজের হৃদয়বান ব্যক্তিদের কাছে সাহায্যের জন্য হাত পেতেছে রুনা।

রুনার হাসি মুখ দেখতে আপনিও সহযোগিতার হাত বাড়াতে পারেন। আপনার আর্থিক সহযোগিতায় রুনা আবারো হাসবে, খেলবে, স্কুলে যাবে, ফিরবে প্রিয় বান্ধবীদের খেলার দলে। শিক্ষিত হয়ে মানবিক কাজে অংশগ্রহণ করবে। তার স্বপ্ন পূরণ করবে।

রুনার চিকিৎসার জন্য সহযোগিতা করতে চাইলে যোগাযোগ করুন এই ০১৬৪৮৯৩৩৯২২ নম্বরে।