Uncategorized

সীমান্তের কাঁটা তার উঠিয়ে দেয়ার দাবি দু’দেশের দুই মন্ত্রীর

সীমান্তের কাঁটা তার উঠিয়ে দেয়ার দাবি করলেন দুই দেশের দুই মন্ত্রী।

বাংলাদেশের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের খাদ্য ও সরবরাহ ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী জ্যোতি প্রিয় মল্লিক আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে দুই দেশের মিলন মেলায় আবেগাপ্লুত হন।

দেশ দুই কিন্তু ভাষা এক। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে মিলিত হয়েছিলেন দুই দেশের বাংলা ভাষাভাষিরা।

এ মিলন মেলায় আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের যশোর-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন, বনগাঁ পৌরসভার পৌরপিতা শঙ্কর আঢ্য, যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম। মিলন মেলায় দুই দেশের মন্ত্রীই সীমান্তের কাঁটা তার উঠিয়ে দেয়ার দাবি করেন।

মিলন মেলা বসেছিল বাংলাদেশের বেনাপোল ও ভারতের পেট্রাপোলে। শুধু তাই নয় সীমান্তের শূন্য রেখায় নির্মিত শহিদ মিনারে এক সাথে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করলেন দুই দেশের মন্ত্রী, রাজনীতিক, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ। একে অপরকে উপহার দিলেন-মিষ্টিমুখ করালেন।

২০০২ সাল থেকে বেনাপোলে শুরু হয় প্রতি ভাষা দিবসে দুই বাংলার মিলন মেলা। প্রথম দিকে শুধু ফুল বিনিময় করে আত্মার মিলন প্রদর্শন করতেন এক ভাষার দুই দেশের মানুষ। ক্রমশ এর কলেবর বৃদ্ধি পায়। ২০০৭ সাল থেকে সীমান্তের শূন্য রেখায় নির্মাণ করা হয় অস্থায়ী শহিদ মিনার। বাংলাদেশের বেনাপোলে ও ভারতের পেট্রাপোলে নির্মাণ করা হয় অনুষ্ঠান মঞ্চ। শহিদ মিনারে দুই বাংলার মানুষ এক সাথে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণের পর একে অপরকে নিমন্ত্রণ করে নিয়ে যান নিজ নিজ দেশের অনুষ্ঠানস্থলে।

ভাষার মিলনকে আরও সুদৃঢ় করার কথা বললেন সীমান্তের শূন্য রেখায় নির্মিত শহিদ মিনারে ফুল দিতে আসা পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিরা।