সম্ভাবনার রেল সংকটে : ৮০৩ কোটি টাকার ভর্তুকি!     

ভূ-সম্পত্তির দিক দিয়ে সরকারের সবচেয়ে ধনী প্রতিষ্ঠান রেল। অথচ গত বছর রেলে ভর্তুকির পরিমাণ ছিল ৮০৩ কোটি টাকা। রেলের এ জমিগুলোর বেশির ভাগই অবৈধ জবরদখল হয়ে আছে। এ ছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে রেলের বকেয়াও কোটি কোটি টাকা।

তবে সুষ্ঠু সম্পদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে রেলের বৈদেশিক সাহায্য-নির্ভরতা যেমন কমানো সম্ভব, তেমনি একে একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করাও খুব কঠিন হবে না বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

এদিকে, লোকসানি খাত হিসেবে চিহ্নিত করে খরচ কমানোর কারণ দেখিয়ে সময়ের ব্যবধানে কমানো হয়েছে রেলের জনবল। তার পরও এখন যে অনুমোদিত জনবল রয়েছে, তারও প্রায় অর্ধেক পদ খালি। আবার চাকরির স্বল্প মেয়াদ থাকা অনেকেই অবসরে গেলে জনবল সংকট আরো বাড়বে।

আর শুধু এ জনবল সংকটের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে রেলের ১৫৫টি স্টেশন। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে মেয়াদোত্তীর্ণ ইঞ্জিন আর বগি। আর এসবের প্রভাব পড়েছে রেলের সময়সূচিতে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু যাত্রীসেবা নয়, দেশের সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থেই রেলে আমূল সংস্কার প্রয়োজন।