নদীতে বিলীন মাওয়া ঘাট পরিদর্শনে নৌ-মন্ত্রী

নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান পদ্মা নদীর তীব্র স্রোতে বিলীন হয়ে যাওয়া ৩নং রোরো ফেরিঘাট পরিদর্শন করেছেন।

এ সময় তিনি মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌ-রুটে চলাচলে সতর্কতা অবলম্বন করতে সবাইকে অনুরোধ করেন।

বুধবার সকালে মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে মাওয়া ঘাট পরিদর্শন শেষে পদ্মা সেতু রেস্ট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, রো রো ফেরিঘাটটি আগামী ৪-৫ দিনের মধ্যে সচল করা হবে। ৩ নং ঘাটটি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ২ নং ফেরি ঘাটে স্থানান্তর করা হবে।

এ সময় ভারী যানবাহনগুলোকে বিকল্প পথ ব্যবহারের অনুরোধ করেন শাজাহান খান। এছাড়া লঞ্চঘাট এবং ২ নং ফেরিঘাটকে তিনি ঝুঁকিপূর্ণ বলে অবহিত করেন।

বর্তমানের নদীতে ঢেউ ও স্রোত বেশি থাকায় ছোট ছোট ৩৫টি লঞ্চ বন্ধ রাখার কথাও জানান মন্ত্রী এবং বড় লঞ্চগুলোকে সাবধানে চলাচলের পরামর্শ দেন।

মঙ্গলবার রাত আটটার দিকে পদ্মা নদীর তীব্র স্রোতের কারণে ২০ ফুট সংযোগ সড়কসহ নদীতে বিলীন হয়ে যায় মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌ-রুটের মুন্সীগঞ্জ মাওয়া ৩ নং রো রো ফেরিঘাট।

এ সময় ১০-১২টি দোকানঘরসহ প্রায় ৫০০ বর্গফুট বিস্তীর্ন এলাকা নদীগর্ভে হারিয়ে যায়। আকস্মিক এ ভাঙনে ওই ঘাট দিয়ে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

এদিকে, তীব্র স্রোতের কারণে যে কোনো দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য রাতের বেলা থেকে সবক’টি ফেরি চলাচলও বন্ধ করে দেয় বিআইডব্লিইটিএ। সকাল নয়টা থেকে ১ ও ২ নং ঘাট দিয়ে সীমিত আকারে যান চলাচল শুরু হয়েছে।