টেকনাফে বিজিবি ও পুলিশের সঙ্গে পৃথক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৪

কক্সবাজারের টেকনাফে বিজিবি ও পুলিশের সঙ্গে পৃথক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৪ জন নিহত হয়েছেন; যাদেরকে মাদক ব্যবসায়ী বলে দাবি করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এসময় ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১ লাখ ৮৬ হাজার ইয়াবা, ৩টি দেশীয় তৈরি বন্দুক। এ ঘটনায় বিজিবি ও পুলিশের ৬ সদস্য আহত হয়েছেন।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-২ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্নেল ফয়সল হাসান খান জানান, শুক্রবার মধ্যরাতে হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা এলাকা থেকে মাদকের চালান পাচার হয়ে আসতে পারে এমন সংবাদের ভিত্তিতে টহলদল সেখানে অবস্থান নেয়। এসময় ৪-৫ জন মাদক কারবারি নাফ নদী অতিক্রম করে মাদকের চালান নিয়ে আসার সময় বিজিবি টহল দল ধাওয়া করলে তারা বিজিবি সদস্যদের ওপর গুলি করে। বিজিবিও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি করে।

পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে গুলিবিদ্ধ ৩ যুবককে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান তিনি।

এছাড়া ঘটনাস্থলে তল্লাশি করে ১ লাখ ৮০ হাজার ইয়াবা ও ২টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

ফয়সল হাসান জানান, নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি। তাদের বয়স ২০ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে। এসময় বিজিবির ৩ সদস্য আহত হয়েছে। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

অপরদিকে শনিবার ভোররাতে টেকনাফের হোয়াইক্যং এলাকায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মুছা আকবর (৩৬) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

পুলিশের দাবি, নিহত ব্যক্তি মাদক ব্যবসায়ী। এসময় ঘটনাস্থল থেকে ৬ হাজার ইয়াবা ও একটি দেশীয় তৈরি বন্দুক উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহত মুছা আকবর হোয়াইক্যং তুলাতলী এলাকার আবুল বশরের ছেলে।

এ ঘটনায় ৩ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানিয়েছেন,লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। তার বিরুদ্ধে থানায় বেশ কয়েকটি মাদকের মামলা রয়েছে বলে জানান তিনি।

মুছা আকবর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সভাপতি ছিল বলে জানা গেছে।

You Might Also Like