ইসরায়েলি বসতি স্থাপন বন্ধে জাতিসংঘে প্রস্তাব পাস

ইসরায়েলের অবৈধ বসতি স্থাপন বন্ধে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে।

প্রস্তাবের পক্ষে ১৪ ভোট পড়ে। আর যুক্তরাষ্ট্র ভোটদানে বিরত থাকে। নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা ১৫টি।

জাতিসংঘে এ প্রস্তাবের খসড়া উত্থাপনের কথা ছিল মিশরের। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট এর বিরুদ্ধে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানালে মিশর প্রস্তাব প্রত্যাহার করে নেয়।

পরে মালয়েশিয়া, নিউজিল্যান্ড, সেনেগাল ও ভেনেজুয়েলা প্রস্তাবটি পেশ করে এবং তা পাস হয়।

ঐতিহাসিকভাবে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ভর্ৎসনামূলক প্রস্তাবে ভেটো দিয়ে তাদের রক্ষা করে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এবার চেষ্টা করেও রুখতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, তিনি ভোটের রায় মেনে চলবেন না।

নিউজিল্যান্ড ও সেনেগালে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতদের আলোচনার জন্য ডেকে পাঠিয়েছে ইসরায়েল। মালয়েশিয়া ও ভেনেজুয়েলার সঙ্গে ইসরায়েলের কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ জাতিসংঘের এ প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছে। নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্যের মধ্যে ১৪ সদস্য প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয়, নীরব ছিল এক দেশ।

ভোটের পর নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক টুইটে জানান, ‘২০ জানুয়ারির পর জাতিসংঘে ভিন্ন ধরনের কিছু হবে।’ যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে ২০ জানুয়ারি শপথ গ্রহণ করবেন ট্রাম্প।

ইহুদি বসতি স্থাপন বৃদ্ধি ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে দীর্ঘদিনের শত্রুতা জিইয়ে থাকার অন্যতম প্রধান কারণ। এই ইস্যুকে দুই দেশের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে দেখা হয়।

১৯৬৭ সালে পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেম অধিগ্রহণ করার পর সেখানে এ পর্যন্ত ১৪০টি বসতি অঞ্চল গড়ে তুলেছে। এখানে বাস করে প্রায় ৫ লাখ ইহুদি। আন্তর্জাতিক আইনে এসব বসতি অবৈধ কিন্তু ইসরায়েল তা মানে না।