জনাব সোহেল তাজ, আমাদের পরম শ্রদ্ধেয় তাজউদ্দীন আহমদের পুত্র। সততা, নীতিবোধ, বুদ্ধিমত্তা ও নির্ভীক চিত্তের মানুষ ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ। তিনি না থাকলে মুজিবনগর সরকার আদৌ গঠিত হতে পারতো কিনা বা সফলভাবে কাজ করতে পারতো কিনা সন্দেহ আছে! তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার অন্যতম রূপকার।
সোহেল তাজের প্রতি আমাদের অনেকের ভালোবাসা কাজ করে তার বাবা বা তার নীতিবান মা-এর জন্য। এছাড়া, তিনি নিজেও বছর পনেরো আগে ব্যক্তিত্ব ও সততার পরিচয় রেখে শেখ হাসিনার সরকারের প্রতিমন্ত্রী পধ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন।
কিন্তু এরপর? আজ অনলাইনে দেখলাম তিনি তার মা-এর ২০১৮ সালে লেখা একটা চিঠি প্রকাশ করেছেন। সেখানে তিনি সোহেল তাজকে লিখেছেন, “বাবার অনেক আরাধ্য কাজ পড়ে আছে, নিজেকে যোগ্য করে তৈরী হতে হবে’!
সোহেল তাজ এতোবছরে আপনি কি তা করেছেন? এতো যে অন্যায় অবিচার চলছে দেশে কোন প্রতিবাদ করেছেন? নাকি অপুষ্ট বা ক্রীতদাস মস্তিস্কের মানুষের মতো আপনিও ভাবেন, আও য়ামী আমলের সকল অনাচার (অর্থ পাচার, ব্যংক লুট, নির্বাচন প্রক্রিয়া হত্যা, গুম-নিপীড়ন, ভারতের পক্ষে স্বার্থ,ত্যাগ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ ইত্যাদি) সহ্য করাই দেশপ্রেম বা প্রগতিশীলতা?
চাইলে অবরিন্দ কেজরিয়ালের মতো শক্ত একটা কণ্ঠ আপনি হতে পারতেন এই বিপর্যয়কর সময়ে! তাহলে ভবিষ্যতে অন্য আমলেও আপনার কথা অনেক গুরুত্ব পেতো। আপনি হতে পারতেন এদেশের কোটি কোটি হতাশাগ্রস্থ তরুণদের স্বপ্ননায়ক!
কেন সেই চেষ্টা করলেন না ভাই? বা কেন আপনার এমন কোন চেষ্টা আমাদের নজরে পড়লো না?