এখন সময় ডেস্ক • প্রকাশিত: ০৩ ডিসেম্বার ২০২৫, ০৯:১১ পিএম • অনলাইন সংস্করণ

সুমাত্রায় ভূমিধস ও বন্যায় ৭০০ জনের বেশি নিহত, বন উজাড়কেই দায়ী করছেন স্থানীয়রা

সুমাত্রায় ভূমিধস ও বন্যায় ৭০০ জনের বেশি নিহত, বন উজাড়কেই দায়ী করছেন স্থানীয়রা

ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপে ক্রান্তীয় ঝড়ের সঙ্গে বয়ে আসা ভারি বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট ভয়াবহ ভূমিধস ও ধ্বংসাত্মক বন্যায় ৭০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়কে ২০০৪ সালের প্রলয়ঙ্করী সুনামির পর দ্বীপটিতে হওয়া সবচেয়ে প্রাণঘাতী দুর্যোগ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।

রয়টার্স জানিয়েছে, এই ব্যাপক বিপর্যয়ের জন্য দেশটির অনেকেই নির্বিচার বন উজাড়কে দায়ী করছেন। সুমাত্রার স্থানীয় বাসিন্দা রেলিওয়াতি সিরেগার তার বাড়ির আশেপাশে বন উজাড়ের জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা তাপানুলিতে তার বাড়ির কাছে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে সিরেগার বলেন, “দুষ্ট হাতগুলো সব গাছ কেটে নিয়েছে। তারা বনের বিষয়গুলিকে মোটেও তোয়াক্কা করে না। আর এখন আমরা তার মূল্য দিচ্ছি।”

সরকারি তথ্যে দেখা গেছে, এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে ইন্দোনেশিয়ায় হওয়া মোট মৃত্যুর প্রায় এক-চতুর্থাংশই এই তাপানুলিতে ঘটেছে। সিরেগার জানান, ভূমিধসে বাড়িগুলো চাপা পড়েছে এবং উদ্ধার ও ত্রাণ প্রচেষ্টা ব্যাহত হচ্ছে। অন্যদিকে, বন্যার জল উপকূলের দিকে বহু গাছের গুঁড়ি ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছে।

৬২ বছর বয়সী এই ব্যক্তি বিরক্তি চেপে রাখতে না পেরে উচ্চস্বরে বলেন, “বৃষ্টির কারণে বন্যা হয়েছে, কিন্তু এর পক্ষে এত পরিমাণ কাঠ ভাসিয়ে নিয়ে যাওয়া অসম্ভব। বৃষ্টির ফোঁটার কারণে গাছ উপড়ে পড়ে না।”

সূত্র: রয়টার্স