এখন সময় ডেস্ক • প্রকাশিত: ০১ আগষ্ট ২০২৬, ০৮:৪০ পিএম • অনলাইন সংস্করণ

ন্যাটো আগ্রাসী সামরিক জোটে পরিণত হচ্ছে: উত্তর কোরিয়া

ন্যাটো আগ্রাসী সামরিক জোটে পরিণত হচ্ছে: উত্তর কোরিয়া

উত্তর কোরিয়া অভিযোগ করেছে, জ্বালানি সরবরাহ অবকাঠামো সম্প্রসারণের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ সংঘাতের জন্য সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করছে ন্যাটো। পিয়ংইয়ংয়ের দাবি, ইউরোপজুড়ে জ্বালানি পরিবহন নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নের এই উদ্যোগ ন্যাটোর ক্রমেই একটি আগ্রাসী সামরিক জোটে পরিণত হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ প্রকাশিত এক মতামত নিবন্ধে বলা হয়েছে, পশ্চিম ইউরোপের সঙ্গে ন্যাটোর পূর্ব ও উত্তরাঞ্চলের নতুন সদস্য দেশগুলোকে সংযুক্ত করতে নতুন পাইপলাইন এবং জ্বালানি মজুত কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য কেবল জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা নয়, বরং যুদ্ধকালীন সামরিক সক্ষমতা বাড়ানো।

কেসিএনএ আরও দাবি করেছে, ন্যাটো এখন ইউরোপের নিরাপত্তাকে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের নিরাপত্তার সঙ্গে একসূত্রে দেখছে। এ কারণে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জোটটি নিয়মিতভাবে কৌশলগত সামরিক সম্পদ এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে মোতায়েন করছে এবং উত্তর কোরিয়ার বিরোধী দেশগুলোর সঙ্গে যৌথ সামরিক কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে।

নিবন্ধে বলা হয়, কোরীয় উপদ্বীপের আশপাশে সামরিক শক্তি প্রদর্শন এবং ‘রিম অব দ্য প্যাসিফিক (রিমপ্যাক)’সহ বহুজাতিক সামরিক মহড়ায় ন্যাটো সদস্যদের অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে জোটটি এশিয়া-প্যাসিফিককে সম্ভাব্য সংঘাতের ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করছে।

উত্তর কোরিয়ার মতে, ন্যাটোর সামরিক লজিস্টিক অবকাঠামো সম্প্রসারণের লক্ষ্য বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে দ্রুত সামরিক অভিযান পরিচালনার সক্ষমতা অর্জন, যা বৈশ্বিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।

তবে ন্যাটো বরাবরই এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছে। জোটটির দাবি, তাদের সব কার্যক্রমই প্রতিরক্ষামূলক এবং সদস্য দেশগুলোর সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলাই তাদের মূল উদ্দেশ্য।