আসন্ন গভর্নর নির্বাচনে বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন নিউইয়র্কের বর্তমান গভর্নর ক্যাথি হোকল। সিয়েনা ইউনিভার্সিটি প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক জনমত জরিপে দেখা গেছে, সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান প্রতিনিধি এলিস স্টেফানিক এবং নাসাউ কাউন্টি এক্সিকিউটিভ ব্রুস ব্লেকম্যানের তুলনায় হোকল দুই অঙ্কের ব্যবধানে লিড ধরে রেখেছেন। মঙ্গলবার প্রকাশিত এই জরিপ অনুযায়ী, স্টেফানিকের চেয়ে ১৯ পয়েন্ট এবং ব্লেকম্যানের চেয়ে ২৫ পয়েন্টে এগিয়ে আছেন তিনি। এমনকি নিজের দলের ভেতরেও লেফটেন্যান্ট গভর্নর আন্তোনিও ডেলগাডোর চেয়ে ৪৩ পয়েন্ট এগিয়ে থেকে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন বর্তমান এই গভর্নর।
জরিপ বিশ্লেষক স্টিভেন গ্রিনবার্গের মতে, নির্বাচনের প্রায় ১১ মাস বাকি থাকতেই হোকল ডেমোক্র্যাটদের তিন-চতুর্থাংশ সমর্থন নিজের পকেটে পুরেছেন। অন্যদিকে রিপাবলিকান শিবিরে স্টেফানিক ৮২ শতাংশ সমর্থন পেলেও স্বতন্ত্র ভোটারদের কাছে হোকল বেশ জনপ্রিয়। ভোটারদের মতে, স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা দেওয়ার ক্ষেত্রে হোকলের ওপর তাদের আস্থা বেশি। তবে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর ক্ষেত্রে হোকল বা স্টেফানিক কাউকেই খুব একটা কার্যকর মনে করছেন না সাধারণ মানুষ। ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে ভোটাররা হোকলকে সৎ ও সহানুভূতিশীল মনে করলেও বড় একটি অংশ তাকে খুব একটা অনুপ্রেরণাদায়ী নেতা হিসেবে দেখছেন না।
এদিকে নিউইয়র্ক সিটির নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানী বর্তমানে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে রয়েছেন। জরিপে দেখা গেছে, তার অনুকূলে জনমত আগের মাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বিশেষ করে নিউইয়র্ক সিটির ৬১ শতাংশ ভোটার তাকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষেত্রে চিত্রটি ভিন্ন। নিউইয়র্কের ভোটারদের বড় একটি অংশ ট্রাম্পের বিভিন্ন রাজনৈতিক পদক্ষেপ, যেমন শুল্ক বৃদ্ধি বা রাজনৈতিক শত্রুদের বিচার করার বিষয়গুলোকে বাড়াবাড়ি হিসেবে দেখছেন। সিয়েনা ইউনিভার্সিটির এই জরিপটি গত ৮ থেকে ১২ ডিসেম্বর ৮০১ জন নিবন্ধিত ভোটারের ওপর পরিচালিত হয়।