মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিউইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানীকে সতর্ক করে বলেছেন, তিনি সহযোগিতা করতে প্রস্তুত, তবে সফল হতে হলে ওয়াশিংটনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে হবে।
গত ৪ নভেম্বরের নির্বাচনে ইতিহাস গড়ে নিউইয়র্ক সিটির প্রথম মুসলিম এবং শত বছরের মধ্যে সবচেয়ে তরুণ মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হন ৩৪ বছর বয়সি জোহরান মামদানী। রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রভাবশালী অংশের বিরোধিতা সত্ত্বেও তরুণ ও স্বল্প আয়ের ভোটারদের সমর্থনে বড় জয় পান তিনি।
নির্বাচনে জয়ের পরদিনই কুইন্সের ফ্লাশিং মিডোস করোনা পার্কে এক সংবাদ সম্মেলনে ক্ষমতায়নের প্রস্তুতি নিতে একটি ট্রানজিশন টিম ঘোষণা করেন মামদানী। তিনি জানান, নিউইয়র্কের উন্নয়নের তহবিল নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতেও পিছপা হবেন না।
মামদানীর বক্তব্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান ট্রাম্প। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “তাকে ওয়াশিংটনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। যদি না হয়, তার সফল হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।” তবে ট্রাম্প একই সঙ্গে বলেন, “আমি চাই নিউইয়র্ক সফল হোক, শহরটি এগিয়ে যাক।”
এর আগে ফ্লোরিডার মিয়ামিতে এক ব্যবসায়িক ফোরামে ট্রাম্প নতুন মেয়রকে সহায়তার ইঙ্গিত দিলেও তাকে ‘কমিউনিস্ট’ আখ্যা দেন। তিনি বলেন, “আমরা দেখব নিউইয়র্কে একজন কমিউনিস্ট কীভাবে কাজ করে। আমরা শহরকে সফল দেখতে চাই, তাই কিছুটা সহায়তা করব—হয়তো।”
নির্বাচন-পরবর্তী এই মৌখিক দ্বন্দ্বে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় রাজনীতিতেও নতুন উত্তাপ ছড়িয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্প ও মামদানীর এই রাজনৈতিক টানাপোড়েন ভবিষ্যতে দেশটির শহর-ফেডারেল সম্পর্ককে নতুন রূপ দিতে পারে।
তথ্যসূত্র: ফক্স নিউজ