চীন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তাইওয়ান প্রণালীতে জাপানের যেকোনো সামরিক সম্পৃক্ততাকে তারা আগ্রাসন হিসেবে বিবেচনা করবে এবং এর জবাবে শক্তিশালী পাল্টা আক্রমণ চালানো হবে। বৃহস্পতিবার চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সিনিয়র কর্নেল লিন জিয়ান এই সতর্কবার্তা দেন, যা জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানে তাকাইচির সাম্প্রতিক মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আরও উত্তেজনা বাড়িয়েছে।
লিন জিয়ান বলেন, জাপান যদি তাইওয়ানে সামরিকভাবে হস্তক্ষেপ করে, তবে তা আগ্রাসনের সমতুল্য হবে এবং চীন কঠোর শক্তি প্রয়োগ করে প্রতিক্রিয়া দেখাবে। তিনি দাবি করেন, তাইওয়ান প্রশ্নটি সম্পূর্ণই চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং এ ইস্যুতে কোনো বিদেশি হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়।
গত সপ্তাহে সংসদে তাইওয়ান প্রসঙ্গে জাপানি প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যের পর থেকেই উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। তাকাইচি বলেছিলেন, তাইওয়ানকে ঘিরে সামরিক সংকট জাপানের জন্য অস্তিত্বগত হুমকি তৈরি করতে পারে এবং প্রয়োজনে দেশটি সম্মিলিত আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগে বাধ্য হবে। এই বক্তব্য বেইজিংয়ের তীব্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়, এমনকি ওসাকার চীনা কনসাল জেনারেল জুয়ে জিয়ান জাপানি প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অশোভন হুমকিও দেন, যা পরে মুছে ফেলা হয়।
তাইওয়ান ১৯৪৯ সাল থেকে স্বশাসিত হলেও চীন অঞ্চলটিকে নিজের একটি প্রদেশ বলে দাবি করে। রাশিয়াসহ বেশিরভাগ দেশ এখনো বেইজিংয়ের এ অবস্থান সমর্থন করে আসছে।