লেখালেখি

যুদ্ধাপরাধীদের আশ্রয়দাতাদের বিচারের ব্যবস্থা হবে কি?

প্রাচীন গ্রিক বা এথেনিয়ান সিটি স্টেটের যুগে পেরিক্লিয়াস একটি সিটি স্টেটের প্রভাবশালী রাজা ছিলেন। গ্রিক ইতিহাসে তিনি এখনো একটি স্মরণীয় নাম। এই পেরিক্লিয়াসের বিচার পদ্ধতি ছিল অদ্ভুত। তিনি দুষ্কৃতীদের যে

জন কেরির ঢাকা সফর এবং হাসিনা-নেতৃত্বের প্রভাব ও প্রতিষ্ঠা

বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভের পর একদল সমালোচক বলতে শুরু করেছিল, এ দেশটির না আছে কোনো খনিজ সম্পদ, না আছে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক অবস্থান। এ দেশটির কোনো রাজনৈতিক

ফিরে ফিরে দেখা

আশির দশকের কোনো এক সময় আমি আমেরিকা থেকে দেশে বেড়াতে এসেছি। রিকশায় করে কোনো এক জায়গায় গিয়ে আমি রিকশা থেকে নেমে মানিব্যাগ থেকে একটা ১০ টাকার নোট নিয়ে রিকশাওয়ালাকে দিয়ে

‘দুরাত্মাকে মহাত্মা বানানোর এই চেষ্টা কেন?’

সুবিদ আলী ভূঁইয়াকে আমি ঘনিষ্ঠভাবে চিনি। তাঁর রাজনৈতিক সব মতামতের সঙ্গে সহমত পোষণ করি না। তিনি বিএনপি ছেড়েছেন বহু দিন হয়। এখন আওয়ামী লীগে আছেন। সুতরাং যখন জানলাম তিনি বলেছেন,

রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প চাই না

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার আসার খবর পেয়ে তরুণ ছাত্রছাত্রীরা তৎণাৎ একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়। সেটা হোল শান্তিপূর্ণ বিােভ প্রদর্শন। সেই তাৎণিক ও স্বতঃস্ফূর্ত বিােভের একটি ভিডিও তাঁরা ইন্টারনেটে প্রচার

বিএনপির নতুন কমিটির অন্তর্জলি যাত্রা?

সদ্য ঘোষিত বিএনপির জাতীয় কমিটি নিয়ে শুরু হয়েছে মহা তেলেসমাতি। বিএনপি কর্তৃক কমিটি ঘোষণার পর এমন কতগুলো বিব্রতকর ঘটনা ঘটেছে, যা বাংলাদেশের রাজনীতি তো নয়ই, ব্রিটিশ ভারতের রাজনীতিতেও বিরল। নয়া

জঙ্গিবাদ রোধে মা-বাবার দায়িত্ব

ড. মুহাম্মদ ঈসা শাহেদী : সাইফুল ইসলাম। ফোনে পরিচয় দিল, এলাকার ছেলে। তার বাবা নূর আলম মাস্টার আমার বাল্যবন্ধু। বলল, সে আইটি ইঞ্জিনিয়ার। চাকরির পাশাপাশি ঢাকায় নিজে একটি ফার্ম খুলেছে।

‘মানুষ কেন মানুষ মারে?’

আবু এন এম ওয়াহিদ : বেশ কয়েক বছর আগের কথা, ‘মানুষ কেন মানুষ মারে?’ এই শিরোনামে পশ্চিমবঙ্গের বিখ্যাত কবি ও ঔপন্যাসিক পরলোকগত সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের একটি লেখা কলকাতার আনন্দ বাজার পত্রিকায়

আত্মসমর্পিত বুদ্ধিজীবী সমাজের জন্য বিপজ্জনক

প্রফেসর আনোয়ার উল্লাহ চৌধুরী : সম্প্রতি দেশবরেণ্য শিক্ষাবিদ প্রফেসর সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর ‘জাতীয়তাবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও জনগণের মুক্তি’ শীর্ষক একটি গ্রন্থের ওপর এক আলোচনার খবর পত্রিকার পাতায় দেখতে পেলাম। বাংলা একাডেমি

‘পৃথিবীতে আজ কোনো সুখবর নেই’

গত শতকের মধ্যভাগে কবি জীবনানন্দ দাশ লিখেছিলেন, ‘পৃথিবীতে আজ কোনো সুখবর নেই।’ কবি যদি এই শতকে বেঁচে থাকতেন এবং বিশ্বজোড়া সন্ত্রাসের তাণ্ডব দেখতেন, তাহলে কী লিখতেন, তা কল্পনা করা কষ্টকর