বাহুবলিকে যে কারণে হত্যা করে কাটাপ্পা

ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় সিনেমা ফ্র্যাঞ্চাইজি বাহুবলি। ২০১৫ সালে মুক্তি পেয়েছিল এই ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রথম সিনেমা বাহুবলি-দ্য বিগিনিং। মুক্তির পর বেশ কয়েকটি রেকর্ড গড়ে সিনেমাটি। কিন্তু সবকিছু ছাড়িয়ে আলোচনায় ছিল সিনেমাটির ক্লাইম্যাক্স দৃশ্য। যেখানে দেখা যায়, প্রিয় অমরেন্দ্র বাহুবলিকে হত্যা করে বিশ্বস্ত সেনাপতি কাটাপ্পা। কিন্তু কেন কাটাপ্পা বাহুবলিকে হত্যা করেছিল?- এই প্রশ্নের উত্তরের জন্য দর্শকদের অপেক্ষা করতে হয়েছে প্রায় দুই বছর।

গত ২৮ এপ্রিল মুক্তি পায় বাহুবলি-দ্য কনক্লুশন। এ সিনেমাতেই মিলেছে তার উত্তর। কৌতূহলী দর্শক উত্তরটি জানতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কেটেছেন। কেউ আবার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অধিক মূল্যে টিকিট কিনেছেন।

বাহুবলি-দ্য বিগিনিং সিনেমাটি যারা দেখেছেন তারা সবাই জানেন, মহেশমতি রাজ্যের সিংহাসনের দাবিদার দুইজন। একজন রাজমাতা শিবগামী দেবীর নিজের ছেলে বল্লালদেবা। অন্যজন অমরেন্দ্র বাহুবলি, যে বল্লালদেবার চাচাতো ভাই হলেও শিবগামী তাকে নিজের ছেলে মানেন। নিজের যোগ্যতা বলে মহেশমতীর সিংহাসনে বসার অধিকার লাভ করেন মহেন্দ্র বাহুবলি। কিন্তু তা মানতে নারাজ বল্লালদেবা। সে তার বাবার সঙ্গে মিলে নানা ষড়যন্ত্র করতে থাকে।

এদিকে রাজ্যে অমরেন্দ্র বাহুবলির সিংহাসনে অভিষিক্ত হওয়ার আয়োজন শুরু হয়েছে। সঙ্গে চলছে তার বিয়ের জন্য পাত্রী খোঁজার পালা। এরই মধ্যে রাজমাতার নির্দেশে ছদ্মবেশে রাজ্য ভ্রমণে বের হন বাহুবলি। সঙ্গে যান কাটাপ্পা। সেখানে গিয়ে দেবসেনার প্রেমে পড়েন বাহুবলি। খবরটি গুপ্তচরের মাধ্যমে বল্লালদেবার কানে পৌঁছালে সে রাজমাতার কাছে দেবসেনাকে চায়। এ নিয়ে তৈরি হয় বিরোধ। পরবর্তীতে বিষয়টি রাজমাতা শিবগামী দেবী ও বাহুবলির সম্পর্কের অবণতির কারণ হয়। ফলে রাজমুকুট ওঠে বল্লালদেবার মাথায়। রাজ দরবার থেকে বিতাড়িত হন বাহুবলি। পরবর্তীতে বল্লালদেবা রাজমাতাকে বোঝাতে সক্ষম হন যে, বাহুবলি রাজ বিদ্রোহ করার চেষ্টা করছে। তখন রাজমাতা বাহুবলিকে হত্যার জন্য কাটাপ্পাকে নির্দেশ দেন। কাটাপ্পা অস্বীকৃতি জানালে রাজমাতা জানান, যদি কাটাপ্পা না চায়, তাহলে তিনি নিজে বাহুবলিকে হত্যা করবেন। কাটাপ্পা চাননি রাজমাতার হাতে বাহুবলির হত্যা হোক। যে কারণে শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে বাহুবলিকে হত্যা করে কাটাপ্পা।

You Might Also Like