সাত সাংসদ ও সাবেক মন্ত্রীর অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান শেষ পর্যায়ে : দুদক সচিব

সাত সাংসদ ও সাবেক মন্ত্রীর জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের অনুসন্ধান শেষ পর্যায়ে বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সচিব মো. ফয়জুর রহমান চৌধুরী।

বুধবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে মাসিক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

সচিব বলেন, সাত সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রীর অবৈধ সম্পদের অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। আইনি প্রক্রিয়ায় আনতে বেশি সময় লাগবে না। দ্রুত সময়ে অনুসন্ধান শেষ করা হবে।

দুদক তিন বছর ধরে অনুসন্ধান করলেও বেসিক ব্যাংকের দুর্নীতির বিষয়ে কেন অ্যাকশন নিতে পারছে না, এমন প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, ‘দুদক কোনো বিষয় ধামাচাপা দিচ্ছে না। আমাদের অনুসন্ধান চলছে।’

যেসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ তাদের সম্পদ বিবরণী খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, মূল দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অধিকতর গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাই একটু সময় লাগছে। ইতিমধ্যে অনেক কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আরো তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হচ্ছে। শিগগিরই এর অগ্রগতি দেখতে পারবেন।

দুদকের কর্মকর্তাদের দুর্নীতির বিষয়ে তিনি বলেন, সম্প্রতি দুই উপপরিচালকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়েছে। কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত তার জবাব পাওয়া যায়নি।

সচিব বলেন, আরো কিছু কর্মকর্তা সন্দেহের তালিকায় রয়েছেন। অনেক কর্মকর্তার অবৈধ সম্পদের বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মে মাসের দুদক কার্যক্রমের পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি জানান, মে মাসে দুদকে প্রাপ্ত অভিযোগের সংখ্যা ১ হাজারটি। অনুসন্ধানের জন্য আমলে নেওয়া হয়েছে ৬২টি অভিযোগ। এ মাসে মামলা দায়ের করা হয়েছে ২১টি। সাজা হয়েছে ১১ মামলায়, আর খালাস ১০ মামলায়।

প্রসঙ্গত, অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযুক্তরা হলেন- সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক, সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আব্দুল মান্নান খান, পটুয়াখালী-৪ আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মাহবুবুর রহমান, রাজশাহী-৪ আসনের সাংসদ এনামুল হক, কক্সবাজার-৪ আসনের সাংসদ আবদুর রহমান বদি, ঢাকা-১৪ আসনের সাংসদ আসলামুল হক ও সাতক্ষীরার সাবেক সাংসদ আবদুর জব্বার

You Might Also Like